দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের মনে একটিই প্রশ্ন ছিল—কবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে? অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্টের দুনিয়ায় নিজের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির বহুল আলোচিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের সপ্তম এই সিনেমায় তাঁর
দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের মনে একটিই প্রশ্ন ছিল—কবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে ছোট
পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে? অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মের মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্টের দুনিয়ায়
নিজের নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম
চরকির বহুল আলোচিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের সপ্তম এই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে
প্রথমবার জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন ঢাকাই সিনেমার তারকা অভিনেতা আরিফিন শুভ। তরুণ ও
প্রতিশ্রুতিশীল নির্মাতা জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটিতে
সমকালীন জীবনের জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে।
ওয়েব ফিল্মটির গল্প মূলত এ যুগের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে
কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। গল্পের একদিকে রয়েছেন সহজ-সরল ও সৎ যুবক আনিস, অন্যদিকে
আছেন উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা, যার পুরো জগৎ
ও স্বপ্নজুড়ে কেবলই সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল
জগতের মোহনীয় রঙিন দুনিয়া। সিনেমাটিতে এই আনিস চরিত্রে আরিফিন শুভ এবং অনামিকা
চরিত্রে অভিনয় করছেন কেয়া পায়েল। নির্মাতা জাহিদ প্রীতমের মতে, এটি মূলত কাছাকাছি
সময়ের অথচ সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানের ও মনস্তত্ত্বের দুজন মানুষের গল্প, যেখানে তারা
তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার সুস্পষ্ট
প্রতিফলন পর্দায় দেখতে পাবেন দর্শকেরা।
এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। আরিফিন শুভ
জানিয়েছেন, তাঁর অভিনীত আনিস চরিত্রটি মফস্বলের একজন অত্যন্ত দায়িত্বশীল যুবকের,
যার পুরো পৃথিবীজুড়েই রয়েছে তার পরিবার, ছোট ভাইবোন এবং প্রিয় মানুষেরা। পর্দায়
দর্শকরা সাধারণত তাঁকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত, এখানে একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি
চরিত্রে তাঁকে দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে কেয়া পায়েলও নিজের
চরিত্র নিয়ে বেশ আশাবাদী। তাঁর মতে, অনামিকা চরিত্রটির মাঝে বেশ কয়েকটি লেয়ার বা
স্তর রয়েছে, যা সহজেই দর্শকদের প্রেমে ফেলবে। তিনি বিশ্বাস করেন, দর্শকরা এর আগে
তাঁকে নানা চরিত্রে দেখলেও এবার সম্পূর্ণ নতুন ও ভিন্ন এক আঙ্গিকে আবিষ্কার করবেন।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ওয়েব ফিল্মটি শিগগিরই চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। চরকির
পাশাপাশি সিনেমাটির সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত রয়েছে স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান
‘ছবিয়াল’। এই প্রজেক্টের বিষয়ে ছবিয়ালের পক্ষ থেকে অভিনেত্রী ও প্রযোজক নুসরাত
ইমরোজ তিশা জানান, ভাবনার ভিন্নতার কারণে দুজন মানুষের মাঝে যে সূক্ষ্ম দ্বন্দ্ব,
খুনসুটি এবং নিজেদের ভাবনাগুলোকে মেলানোর যে নিরন্তর চেষ্টা—গল্পের এই বিষয়গুলো
তাঁর ভীষণ ভালো লেগেছে। তিনি আরও বলেন, চমৎকার এই গল্পের মতোই মূল দুজন
অভিনয়শিল্পীকেও এই ফিল্মে বেশ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শকদের
নিঃসন্দেহে ভালো লাগবে। এখন কেবল ওটিটি পর্দায় শুভ ও পায়েলের এই নতুন রসায়ন দেখার
অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।











