বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে বর্তমান রানার্স-আপ ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবার ডালাসের মাঠে এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগকে রুখে দিয়ে এক অভাবনীয় জয় তুলে নিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন ফুটবল ইতিহাসে টানা ৩৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকার ইতালির বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করার গৌরব অর্জন করল। ম্যাচের শুরু থেকেই
বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে বর্তমান রানার্স-আপ ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত
করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের
বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবার ডালাসের মাঠে এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের বিধ্বংসী আক্রমণভাগকে
রুখে দিয়ে এক অভাবনীয় জয় তুলে নিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন ফুটবল ইতিহাসে টানা ৩৭
ম্যাচে অপরাজিত থাকার ইতালির বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করার গৌরব অর্জন করল।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের রণকৌশল ফরাসিদের কোণঠাসা করে রাখে। খেলার ২২তম মিনিটে
পেনাল্টি থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মাইকেল ওয়ারসাবাল। ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস
দিনিয়ে বক্সে তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন।
প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা স্পেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে।
দানি অলমোর মাপা পাস থেকে স্পেনের রাইট ব্যাক পেদ্রো পোরো চমৎকার ফিনিশিংয়ে জালে বল
জড়ান। জোড়া গোল হজম করে ফ্রান্স আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করলেও স্পেনের জমাট
রক্ষণ এবং ‘পজিশনাল অ্যান্টি ফুটবল’ কৌশলের সামনে তারা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে।
পুরো ম্যাচে ফ্রান্স ১৪টি আক্রমণ করলেও গোলমুখে মাত্র চারটি শট নিতে সক্ষম হয়, যার
মধ্যে উনাই সিমনকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলার মতো সুযোগ ছিল খুবই কম। বিপরীতে দে লা
ফুয়েন্তের শিষ্যরা ছোট পাসের ‘ডাইরেক্ট তিকিতাকা’ এবং নিয়ন্ত্রিত ফুটবলের মাধ্যমে
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। দুই গোলের লিড পাওয়ার পর স্পেন কৌশলী ব্যাক
পাসের মাধ্যমে ফরাসিদের ছন্দ নষ্ট করে দেয়, যার কোনো উত্তর কিলিয়ান এমবাপ্পেদের
জানা ছিল না।
২০২৪ সালের ২৬ মার্চ কলম্বিয়ার কাছে হারের পর থেকে স্পেন আর কোনো ম্যাচে পরাজয়ের
মুখ দেখেনি। ফ্রান্সের বিপক্ষে এই জয়টি ছিল তাঁদের এই অপরাজেয় যাত্রার ৩০তম জয়।
ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় হার না মানার রেকর্ডে তারা এখন সাবেক
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালির (২০১৮-২০২১) পাশে দাঁড়িয়েছে। যদি ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে
আর্জেন্টিনা বা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পায় স্পেন, তবে তারা এককভাবে বিশ্বরেকর্ডের
মালিক হবে। ফিফা ও উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, টাইব্রেকারের ফলাফল অপরাজিত থাকার ধারায়
কোনো প্রভাব ফেলে না। আগামী রবিবার রাতে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে
মাঠে নামবে লা রোজারা।











