হারের হতাশার মাঝেও বিশাল প্রাইজমানি নিয়ে বাড়ি ফিরছে ব্রাজিল

হারের হতাশার মাঝেও বিশাল প্রাইজমানি নিয়ে বাড়ি ফিরছে ব্রাজিল

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার হতাশা থাকলেও আর্থিকভাবে বিশাল অঙ্কের পুরস্কার নিয়েই বাড়ি ফিরছে ব্রাজিল। ফিফার নির্ধারিত প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েও ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) কোষাগারে যোগ হচ্ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা মার্কিন ডলারে ২ কোটি ৫৫ লাখের সমান। মাঠের পারফরম্যান্সের দুঃখ কাটাতে না পারলেও এই

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার হতাশা থাকলেও আর্থিকভাবে বিশাল অঙ্কের

পুরস্কার নিয়েই বাড়ি ফিরছে ব্রাজিল। ফিফার নির্ধারিত প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী,

টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েও ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) কোষাগারে

যোগ হচ্ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা মার্কিন ডলারে ২

কোটি ৫৫ লাখের সমান। মাঠের পারফরম্যান্সের দুঃখ কাটাতে না পারলেও এই বিপুল পরিমাণ

অর্থ তাদের প্রাপ্তির খাতা বেশ ভারী করেছে।

ব্রাজিলের এই বিশাল আয়ের পেছনে রয়েছে ফিফার চমৎকার পুরস্কার ব্যবস্থা। নিয়ম

অনুযায়ী, বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দল পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ

মার্কিন ডলার। এর বাইরে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য প্রতিটি দলকে দেওয়া হয়েছে আরও

১ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার, যার মধ্যে ১৫ লাখ ডলার আগে থেকেই প্রস্তুতি ব্যয়ের জন্য

বরাদ্দ ছিল। সব মিলিয়ে এই দুই খাতের অর্থ একত্রিত করে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য

১২৪ টাকা ধরে ব্রাজিলের মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এবারের বিশ্বকাপে ফিফা সর্বমোট ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায়

প্রায় ৯ হাজার ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা, পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করছে। এই বিশাল অঙ্কের

বাজেট ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। এই প্রাইজমানি

কাঠামোর শীর্ষস্থানে থাকা চ্যাম্পিয়ন দল পাবে প্রায় ৬২০ কোটি টাকা বা ৫ কোটি

মার্কিন ডলার। এছাড়া রানার্সআপ দল প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা, তৃতীয় স্থান অধিকারী দল

প্রায় ৪১৮ কোটি টাকা এবং চতুর্থ স্থানে থাকা দল প্রায় ৩৮৯ কোটি টাকা ঘরে তুলবে।

বিশ্বকাপে সেলেসাওদের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে বিশ্বজুড়ে ব্রাজিল ভক্তরা

ব্যথিত হলেও, সিবিএফের কোষাগারে যোগ হওয়া এই কয়েকশ কোটি টাকা তাদের ভবিষ্যৎ

ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। ফেডারেশনের কর্তারা মনে করছেন, এই বিপুল অর্থ

ভবিষ্যতে ব্রাজিলের সামগ্রিক ফুটবল কাঠামোর উন্নয়ন, তৃণমূলের প্রতিভার বিকাশ এবং

আগামী ২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য জাতীয় দলের দীর্ঘমেয়াদী ও উন্নত প্রস্তুতি নিশ্চিত

করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos