জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তার গতির ঝড়ে মাত্র ১৪১ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। এর মাধ্যমে তিনি সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও পেসার রুবেল হোসেনের দীর্ঘদিনের পুরোনো রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছেন। ম্যাচটিতে টস
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের
নতুন রেকর্ড গড়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সিরিজের
প্রথম ওয়ানডেতে তার গতির ঝড়ে মাত্র ১৪১ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। এর
মাধ্যমে তিনি সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও পেসার রুবেল হোসেনের দীর্ঘদিনের
পুরোনো রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছেন।
ম্যাচটিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা শুরু থেকেই নাহিদ
রানার তোপের মুখে পড়ে। ৩৬ ওভার ৪ বল খেলে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৪১ রান সংগ্রহ
করতে সক্ষম হয় তারা। স্বাগতিক দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে নিউম্যান নিয়ামুরির
ব্যাট থেকে। বাকি ব্যাটাররা কেউই বাংলাদেশি বোলারদের সামনে খুব একটা সুবিধা করতে
পারেননি।
বাংলাদেশের জার্সিতে বল হাতে রীতিমতো আগুন ঝরান ২২ বছর বয়সী এই পেসার। তিনি মাত্র
২১ রান খরচায় তুলে নেন জিম্বাবুয়ের ৬টি উইকেট, যা বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের
সর্বকালের সেরা বোলিং ফিগার। এর আগে এই রেকর্ডটি যৌথভাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং
রুবেল হোসেনের দখলে ছিল। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে মাশরাফি এবং ২০১৩ সালে
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রুবেল দুজনেই ২৬ রানের বিনিময়ে ৬টি করে উইকেট শিকার করে এই
রেকর্ডের অংশীদার ছিলেন।
নিজের সংক্ষিপ্ত আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেই এমন অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন নাহিদ
রানা। মাত্র ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ উইকেট বা ফাইফার
শিকারের ঘটনা। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ফাইফার নেওয়ার
তালিকায় এখন তার ওপরে কেবল বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান রয়েছেন।











