বেইজিংয়ে ১০৯ তলা টাওয়ারে বিমান বিধ্বস্ত, শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য

বেইজিংয়ে ১০৯ তলা টাওয়ারে বিমান বিধ্বস্ত, শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ১০৯ তলা বিশিষ্ট সর্বোচ্চ বহুতল ভবন সিটিক টাওয়ার বা ‘চায়না জুন’-এ শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে একটি ছোট হালকা বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আকস্মিক ও ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জেরে পুরো বেইজিং শহরজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর শুক্রবারের (২৬ জুন) এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার তথ্য ও

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ১০৯ তলা বিশিষ্ট সর্বোচ্চ বহুতল ভবন সিটিক টাওয়ার বা

‘চায়না জুন’-এ শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে একটি ছোট হালকা বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা

ঘটেছে।

আকস্মিক ও ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জেরে পুরো বেইজিং শহরজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও ব্যাপক

চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর শুক্রবারের (২৬ জুন) এক

বিশেষ প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার তথ্য ও প্রাথমিক চিত্র নিশ্চিত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও স্থিরচিত্রে দেখা

যায়, ১০৯ তলা বিশিষ্ট বিশাল ভবনটির ওপরের অংশে বিমানটি আঘাত হানার পর সেখান থেকে

ভেঙে যাওয়া ভবনের নানাবিধ ধ্বংসাবশেষ নিচের রাস্তায় আছড়ে পড়ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণী অনুযায়ী, দুর্ঘটনাস্থলের কাছে বিমানের লেজের একটি

বিচ্ছিন্ন অংশ এবং ওপর থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ট্যাক্সিক্যাবও পড়ে

থাকতে দেখা গেছে।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে সিটিক টাওয়ার ভবনটি দ্রুত ও

সম্পূর্ণ খালি করে দেওয়া হয়। ভবনটির চারপাশে এবং পুরো এলাকায় অত্যন্ত দ্রুততার

সাথে বিপুলসংখ্যক ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পুলিশ ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করে

উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়।

তবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো হতাহত বা সামগ্রিক

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে চীনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাপ্তরিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য

প্রকাশ করা হয়নি। বেইজিং পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরো কেবল জানিয়েছে যে, তারা পুরো

ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে

যাচ্ছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কবলিত উড়োজাহাজটি

চীনে তৈরি ‘সানওয়ার্ড এসএ-৬০এল অরোরা’ মডেলের একটি হালকা স্পোর্টস বিমান। এটি মূলত

বেইজিংয়ের একটি স্থানীয় জেনারেল এভিয়েশন কোম্পানির মালিকানাধীন, যারা সাধারণত

শিক্ষানবিসদের পাইলট প্রশিক্ষণ, বিনোদনমূলক উড্ডয়ন এবং আকাশ থেকে ড্রোনের মতো

চিত্র ধারণের সেবা দিয়ে থাকে।

এদিকে অনলাইনে প্রকাশিত প্রাথমিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার ঠিক

আগ মুহূর্তে বিমানটি তার পূর্বনির্ধারিত স্বাভাবিক উড্ডয়নপথ থেকে অত্যন্ত

অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিচ্যুত হয়ে পড়েছিল।

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ের আকাশসীমার নিরাপত্তা বজায় রাখতে গত ১ মে থেকে সেখানে সরকারি

বিশেষ অনুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের ড্রোন ও ছোট উড়োজাহাজ পরিচালনার ওপর দেশটির

সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর রয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos