বিশ্বকাপে একটি করে জয় ও ড্র নিয়ে আগেই নকআউট পর্বের দ্বারপ্রান্তে ছিল সুইজারল্যান্ড। এবার বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ কানাডাকে তাদেরই মাটিতে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে সুইসরা। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বের এই শেষ ম্যাচটিতে পরাজিত হলেও টেবিলের রানার্সআপ বা দ্বিতীয় দল হিসেবে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে পা রেখেছে সহ-আয়োজক কানাডা।
বিশ্বকাপে একটি করে জয় ও ড্র নিয়ে আগেই নকআউট পর্বের দ্বারপ্রান্তে ছিল
সুইজারল্যান্ড। এবার বিশ্বকাপের অন্যতম স্বাগতিক দেশ কানাডাকে তাদেরই মাটিতে ২-১
গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে সুইসরা।
অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বের এই শেষ ম্যাচটিতে পরাজিত হলেও টেবিলের রানার্সআপ বা দ্বিতীয়
দল হিসেবে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে পা রেখেছে সহ-আয়োজক কানাডা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হলেও খেলার দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৪০
সেকেন্ডের মাথায় সুইজারল্যান্ডকে প্রথম লিড এনে দেন রুবেন ভার্গাস। তাঁর নেওয়া
দারুণ একটি শট কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিমে ক্রেপোকে ফাঁকি দিয়ে পোস্টে লেগে জালে
জড়ায়। এরপর ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে সুইস ফুটবলার ব্রিল এমবোলোর ক্রস থেকে ২০ বছর বয়সী
তরুণ মিডফিল্ডার জোহান মানজাম্বির নেওয়া শট ক্রেপোর হাত ফসকে জালে ঢুকে পড়লে ২-০
ব্যবধানে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড।
এই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তরুণ তারকা জোহান
মানজাম্বি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে
বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। সেই দুর্দান্ত
পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে স্বাগতিকদের বিপক্ষে কোচ তাঁকে প্রথম একাদশে রাখেন।
বিশ্বকাপে বদলি নেমে দুই গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের কৃতিত্ব অর্জন করা মানজাম্বি
ইতোমধ্যে এবারের আসরের অন্যতম উদীয়মান তরুণ তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
অন্যদিকে, গ্রুপের শীর্ষে থেকে নিজ দেশে খেলার সুযোগ ধরে রাখার জন্য এই ম্যাচে
কানাডার অন্তত একটি জয় বা ড্রয়ের প্রয়োজন ছিল। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে কানাডার পক্ষে
বদলি হিসেবে মাঠে নামা প্রোমিস ডেভিড একটি গোল শোধ করে ব্যবধান ২-১ করলেও শেষ
পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এই পরাজয়ের কারণে ঘরের মাঠে পরবর্তী ম্যাচ
খেলার সুযোগ হাতছাড়া হলো কানাডার; তাদের পরবর্তী নকআউট ম্যাচটি খেলতে যেতে হবে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। আগামী রোববার সেখানে তারা গ্রুপ ‘এ’-এর
রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে।
গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়া সুইজারল্যান্ড আগামী ২
জুলাই ভ্যাঙ্কুভারে শেষ ৩২-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামবে। সেখানে তাদের
প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে অন্য যেকোনো গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা
দলগুলোর একটি। ভ্যাঙ্কুভারের মাঠে স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করে দেওয়া এই জয় সুইস
শিবিরকে নকআউটের বড় লড়াইয়ের আগে মানসিকভাবে যথেষ্ঠ আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বলে মনে
করছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা।











