জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের মহান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরোধিতা করেছিল, তারা এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি
জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি
নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ঝালকাঠি-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল
ইসলাম জামাল।
সোমবার (২২ জুন) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন,
যে দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের মহান স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল এবং বাংলাদেশের সৃষ্টির
বিরোধিতা করেছিল, তারা এই স্বাধীন দেশে রাজনীতি করতে পারে না।
তিনি সংসদের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিও
বাংলাদেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হোক।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণার তীব্র সমালোচনা করে
রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শুধু নামের পরে ইসলাম থাকলেই প্রকৃত ইসলাম হয় না।
যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন এবং গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত
দেওয়ার মতো কথা বলেছেন, তাদের কর্মকাণ্ড সবাই দেখেছে।
নির্বাচনী প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিড়ির সুখটানের মধ্য দিয়েও সকল পাপ
মওকুফ হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এভাবে ইসলামের নামে একের পর এক বিতর্কিত
সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য নিয়ে যারা রাজনীতি করছে, তারা মূলত স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হক
মন্তব্য করেছিলেন যে বিড়িতে সুখটানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ
মাফ করে দিতে পারেন, যে কারণে পরবর্তীতে জামায়াত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও
দিয়েছিল।
একই অধিবেশনে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ পবিত্র মসজিদ ও মাদ্রাসায়
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান।
তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর এবং সেখানে মানুষ কেবল নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে,
কিন্তু একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
তিনি দেশের কোনো মসজিদ বা মাদ্রাসায় যেন রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়, সেই লক্ষ্যে
প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ
জানান।
জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে রেজা আহমেদ আরও বলেন, অন্য সব রাজনৈতিক দল যেভাবে
প্রকাশ্যে মাঠে, স্কুলে বা কোনো হলরুমে কর্মীসভা ও জনসভা করে, তাদেরও ঠিক সেই
ব্যবস্থা করতে হবে এবং পবিত্র মসজিদে বসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা তারা করতে পারবে
না।











