চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে মালয়েশিয়ায় প্রায় ৩৯ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সি কর্মীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৯৫৩ জন কর্মী কর্মসংস্থান বীমা ব্যবস্থা (ইআইএস)-এর আওতায় চাকরি
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে মালয়েশিয়ায় প্রায় ৩৯ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সি কর্মীরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায়
সরকার নতুন কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৩৮
হাজার ৯৫৩ জন কর্মী কর্মসংস্থান বীমা ব্যবস্থা (ইআইএস)-এর আওতায় চাকরি হারানোর
হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন।
মানব সম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান জানিয়েছেন, চাকরি হারানোদের মধ্যে সবচেয়ে
বড় অংশই ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চাকরি হারানোদের মধ্যে ২৩ হাজার
৫৩৬ জন পুরুষ এবং ১৫ হাজার ৪১৭ জন নারী।
কোন খাতে সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই?
মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, উৎপাদনশিল্প, পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, মোটরযান মেরামত এবং
প্রশাসনিক সহায়তা খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাই হয়েছে।
রামানানের মতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক পুনর্গঠন, ব্যয় সংকোচন এবং
কার্যক্রমে পরিবর্তনের কারণেই এসব খাতে কর্মী ছাঁটাই বেড়েছে।
সরকারের উদ্যোগ
চাকরি হারানো কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং
চাহিদাসম্পন্ন খাতে স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি
সম্প্রসারণ করছে বলে জানিয়েছেন মানব সম্পদমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের
দ্রুত শ্রমবাজারে ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
শ্রমবাজার এখনো স্থিতিশীল
তবে ছাঁটাইয়ের সংখ্যা বাড়লেও মালয়েশিয়ার সামগ্রিক শ্রমবাজার এখনো স্থিতিশীল রয়েছে
বলে দাবি সরকারের।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশটির বেকারত্বের হার ছিল ৩ শতাংশ, যা
তুলনামূলকভাবে নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। একই সময়ে দেশের মোট শ্রমশক্তির সংখ্যা
দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩০ হাজার।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিভিন্ন শিল্প খাতে পুনর্গঠনের
প্রভাব মালয়েশিয়ার চাকরির বাজারে পড়লেও, সরকার দ্রুত পুনর্বাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন
কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।











