ইরানে ফের হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে ফের হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তি নয়। চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে সন্তুষ্ট না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাবে এবং বোমা ফেলবে। বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে যৌথভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা

ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তি নয়। চুক্তির

বাস্তবায়ন নিয়ে সন্তুষ্ট না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাবে এবং বোমা

ফেলবে। বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেছেন বলে

সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা।

ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ

আল-সিসির সঙ্গে যৌথভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে করা চুক্তি সম্পর্কে বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া

দেখিয়েছে। তবে, ইরানে কোনো বিনিয়োগ করবে না যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলোকে

বিনিয়োগে উৎসাহিতও করা হয়নি। কিন্তু ভবিষ্যতে উপসাগরীয় দেশগুলো চাইলে বিনিয়োগ

করতে পারে।

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) করার সময় সাবেক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানকে ঘুষ হিসেবে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার নগদ

অর্থ দিয়ে দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনর্গঠনের জন্য কোনো তহবিল দেবে না এবং

বর্তমানে কোনো বিনিয়োগ পরিকল্পনাও নেই।’ সবশেষে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,

‘ইরান যদি চুক্তি অনুযায়ী আচরণ না করে তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে

পারে।’

ইরান চুক্তির নথি দেখতে চেয়েছিল ইসরায়েল

ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনার জন্য ইসরায়েলের করা অনুরোধ

প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। ফলে চুক্তিটির

পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু সম্পর্কে এখনো অন্ধকারে রয়েছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদ

সংস্থা আনাদোলু। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের

কাছে সমঝোতা স্মারকটি দেখার সুযোগ চেয়েছিলেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র সেই অনুরোধ নাকচ করে

দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইসরায়েল এখনো চুক্তির পূর্ণ বিবরণ জানে না, যা আগামীকাল

শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।’

তবে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে আনাদোলু

এজেন্সিকে জানিয়েছে, তেল আবিব যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দলের কাছে ‘এ ধরনের কোনো

অনুরোধই জানায়নি’।

অন্যদিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা প্রতিবেদনটিকে ‘ভুল’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘আলোচনার

পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে ওয়াশিংটন তার আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে, বিশেষ করে ইসরায়েলের

সঙ্গে, ‘‘ঘনিষ্ঠ সমন্বয়’’ বজায় রেখেছে।’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তিনি

চুক্তির নথিটির ‘প্রতিটি শব্দ’ পর্যালোচনা করবেন। তবে এর বিষয়বস্তু কবে জনসমক্ষে

প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য

প্রকাশ করা হয়নি। তবে ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা দাবি করেছে,

স্মারকটিতে ১৪টি ধারা রয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ‘এসব ধারার মধ্যে আছে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা

প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের ওপর আরোপিত বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার, ইরানের

ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের

সমর্থনে ইরানের পুনর্গঠন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।’

ট্রাম্প বলেছেন, ‘শুক্রবার জেনেভায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে এবং এর পরপরই হরমুজ

প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন বা তেহরান কোনো পক্ষই

সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করেনি।’

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos