লিবিয়ার উপকূলে ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার উপকূলে ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পূর্বে অবস্থিত খুমস শহরের উপকূলে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মরদেহ ভেসে আসার পর উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানায়, সমুদ্রের ঢেউয়ে মরদেহগুলো ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবৃস্থিত খুমস শহরের উপকূলে এসে পৌঁছায়। কেন্দ্রটি আরও

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পূর্বে অবস্থিত খুমস শহরের উপকূলে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর

মরদেহ ভেসে আসার পর উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে

এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানায়, সমুদ্রের

ঢেউয়ে মরদেহগুলো ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবৃস্থিত খুমস শহরের

উপকূলে এসে পৌঁছায়।

কেন্দ্রটি আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া সবগুলো মরদেহ দাফন করা হয়েছে। তবে এসব অভিবাসীর

পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, সাদা

রঙের সুরক্ষামূলক পোশাক পরা চিকিৎসাকর্মীরা কালো ও সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা

মরদেহ বহন করছেন। এছাড়া দাফনের সময় তোলা আরও কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্রের খুমস শাখা এক বিবৃতিতে জানায়, সমুদ্রের ঢেউয়ে

উপকূলে ভেসে আসা অনিয়মিত অভিবাসীদের ১৫টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

তারা জানায়, কেন্দ্রের উদ্ধারকারী দলগুলোর পরিচালিত মানবিক ও মাঠপর্যায়ের

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এসব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের

সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

২০১১ সালে লিবিয়ায় বিদ্রোহ শুরুর পর থেকে দেশটি উত্তর আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য

একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। সংঘাত, সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে

পালিয়ে আসা শত শত হাজার মানুষ, বিশেষ করে সাব-সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের

নাগরিকরা, লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।

এই যাত্রাপথে অনেকেই মরুভূমি অতিক্রম করে বা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ

চেষ্টা চালায়। ফলে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বর্তমানে লিবিয়া থেকে ইউরোপমুখী অভিবাসন রুটগুলো বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পথ হিসেবে

বিবেচিত হয়। মানবপাচারকারী চক্রের সহায়তায় অনেক অভিবাসী অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও

অনিরাপদ নৌকায় সমুদ্রযাত্রা করে থাকে, যার ফলে নিয়মিতভাবে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর ঘটনা

ঘটছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos