প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার ঘোষণা দিলেন নির্মাতা আদনান আল রাজীব

প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার ঘোষণা দিলেন নির্মাতা আদনান আল রাজীব

ছোটপর্দা ও বিজ্ঞাপন জগতের জনপ্রিয় ও নন্দিত নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবার বড় পর্দায় পা রাখতে চলেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য প্রশংসিত বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটক উপহার দেওয়ার পর এবারই প্রথম একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের কথা শেয়ার করে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই সুখবর

ছোটপর্দা ও বিজ্ঞাপন জগতের জনপ্রিয় ও নন্দিত নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবার বড়

পর্দায় পা রাখতে চলেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য প্রশংসিত বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাটক

উপহার দেওয়ার পর এবারই প্রথম একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন

তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের কথা শেয়ার করে এক

আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই সুখবর দিয়েছেন এই নির্মাতা।

বিজ্ঞাপন নির্মাণের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে আদনান আল রাজীব তাঁর প্রথম বড়

হিটের কথা মনে করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে তাঁর পরিচালিত প্রেমের গল্প ‘কাছে আসার

গল্প’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই কাজটির সফলতার পর থেকেই তাঁর মনে একটি

স্বপ্নের বীজ রোপিত হয়েছিল যে, একদিন তিনি বড় পর্দার জন্য একটি প্রেমের সিনেমা

বানাবেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজের মতো করে একটি নিখাদ

ভালোবাসার গল্প খুঁজে ফিরেছেন তিনি, যা অবশেষে পূর্ণতা পেয়েছে।

সিনেমার গল্পটি তৈরি করার পেছনে তাঁর দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ভালোবাসার গভীরতার কথা

উল্লেখ করে আদনান আল রাজীব বলেন, গল্পগুলো অনেক সময় ভালোবাসার মানুষের মতো হয়—কেউ

হুট করে দরজায় কড়া নাড়ে, আবার কেউ অনেক দূরে বসে থাকে। নিজের গল্পটির পেছনেও তিনি

দীর্ঘদিন ধরে নীরবে কাজ করেছেন; লিখেছেন, কেটেছেন এবং আবার লিখেছেন। অবশেষে সেই

কাঙ্ক্ষিত গল্পটি যখন স্পষ্ট রূপ নিয়েছে, তখনই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রথম

পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সিনেমার নাম, অভিনয়শিল্পী

কিংবা শুটিং শুরু হওয়ার সময়কাল নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করেননি তিনি।

এর আগে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আদনান আল রাজীব। গত বছর

বিখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর পরিচালিত ‘আলী’ নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি

ইতিহাস গড়েছিল। প্রথম কোনো বাংলাদেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি হিসেবে উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ

‘স্বর্ণপাম’ (Palme d’Or) লড়াইয়ের জন্য মনোনীত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে একটি ‘স্পেশাল

মেনশন’ (Special Mention) সম্মাননা জিতে নেয়। এরপর বিশ্বের আরও একাধিক মর্যাদাপূর্ণ

আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে পুরস্কার লাভ করা ছবিটি বাংলা সিনেমার জন্য

বিশ্বমঞ্চে বিশেষ গৌরব বয়ে এনেছিল। এবার বড় পর্দায় তাঁর প্রথম ছবি বিনোদন জগতে কেমন

সাড়া ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos