নাটোরের লালপুর, রাজশাহীর বাঘা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সংযোগস্থলে পদ্মার চরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে আজিজুল হক (৩৫) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি স্পিডবোট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আজিজুল হক ওরফে ঝড়
নাটোরের লালপুর, রাজশাহীর বাঘা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সংযোগস্থলে পদ্মার চরে আবারও
দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে আজিজুল হক (৩৫) নামের এক যুবক
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার
চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি স্পিডবোট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আজিজুল হক ওরফে ঝড় নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আবদুল শেখ ও
হাসিনা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত ‘কাকন বাহিনী’র সদস্য। চরে
বিভিন্ন পক্ষের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন
নিহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনাস্থলটি তিন জেলার তিন
উপজেলার সংযোগস্থলে হওয়ায় ঠিক কোন থানায় মামলা হবে, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে লাশটি
যেহেতু পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার হয়েছে তাই লক্ষ্মীকুন্ডা নৌপুলিশ
তদন্ত করবে। মামলা হবে লালপুর থানায়।
লালপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন উপজেলার
চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি নীল-সবুজ রঙের স্পিডবোট ভাসতে দেখেন। লাল রঙের
ছাউনি দেওয়া স্পিডবোটের ভেতরে গুলিবিদ্ধ এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়
লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার পুলিশ ও
লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ সেখানে গিয়ে গুলিবিদ্ধ লাশটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল
প্রতিবেদন তৈরির পর লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।











