রোমানিয়ার আকাশসীমায় রাশিয়ার একটি ড্রোন প্রবেশ করে একটি আবাসিক ভবনের ছাদে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বুখারেস্ট। এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ অভিহিত করে রোমানিয়া সরকার তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সীমান্তবর্তী গালাতি শহরে ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ভবনের ছাদে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত
রোমানিয়ার আকাশসীমায় রাশিয়ার একটি ড্রোন প্রবেশ করে একটি আবাসিক ভবনের ছাদে
বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বুখারেস্ট। এই ঘটনাকে
‘অত্যন্ত গুরুতর’ অভিহিত করে রোমানিয়া সরকার তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সীমান্তবর্তী গালাতি
শহরে ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ভবনের ছাদে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত দুজন
আহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ন্যাটোভুক্ত দেশ রোমানিয়া ও
রাশিয়ার মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তজনা সৃষ্টি করেছে।
রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ও ২৯ মে দিবাগত
রাতে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী বেসামরিক ও অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে
একযোগে ড্রোন হামলা চালায়। সেই সময় একটি ড্রোন দিক হারিয়ে রোমানিয়ার আকাশসীমায়
ঢুকে পড়ে। রাডারে শনাক্ত হওয়ার পর ড্রোনটি গালাতি শহরের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর
হয় এবং শেষ পর্যন্ত একটি আবাসিক ভবনের ছাদে আছড়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পর ভবনটিতে দ্রুত
আগুন ধরে যায় এবং স্থানীয় জরুরি সেবা বিভাগ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও
আহতদের উদ্ধার করে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওআনা সিলভিয়া তোইউ সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে রাশিয়ার ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি
স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাশিয়ার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ও
কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের
পর্যায়ে রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করার
বিষয়েও তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। এই সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিষয়টি রোমানিয়া
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই রোমানিয়া ও রাশিয়ার সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ
করলেও একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন বিধ্বস্ত হয়ে সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার ঘটনা
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে রোমানিয়া এখন তাদের
আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূতকে সরাসরি তলব করার মাধ্যমে বুখারেস্ট তাদের ভূখণ্ডে রুশ আগ্রাসনের
সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছে। সামনের দিনগুলোতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় জোট
রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর কোনো আইনি বা কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে কি না,
সেদিকেই এখন সবার নজর।











