বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করতে নাটকীয়ভাবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অধিনায়ক থমাস ডুলি। ফুটবল সমর্থকদের সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের আশঙ্কায় বাফুফে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে তাঁকে শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসে। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মুখ না খোলা হলেও পরবর্তীতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডুলির আগমনের
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করতে নাটকীয়ভাবে ঢাকায় এসে
পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অধিনায়ক থমাস ডুলি। ফুটবল সমর্থকদের সম্ভাব্য
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের আশঙ্কায় বাফুফে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে তাঁকে শুক্রবার সকালে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে আসে। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে ফেডারেশনের
পক্ষ থেকে মুখ না খোলা হলেও পরবর্তীতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডুলির আগমনের
খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। আগামী রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর সাথে চুক্তি ও দায়িত্ব
হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে বলে জানা গেছে।
দীর্ঘতম সময় দায়িত্বে থাকা স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার প্রস্থানের পর
থেকেই নতুন কোচ নিয়োগ নিয়ে নানামুখী জল্পনা-কল্পনা চলছিল। ২৭৩ জন প্রার্থীর বিশাল
তালিকা থেকে ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের পর থমাস ডুলিকে বেছে নেয় কর্তৃপক্ষ।
ইতিপূর্বে প্রাক্তন ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যানের সাথে আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে
পৌঁছালেও উচ্চ বেতন ও আনুষঙ্গিক শর্তাবলির কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। সমর্থকদের
অভিযোগ, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বাফুফে অহেতুক দীর্ঘসূত্রতা ও নাটকীয়তার
আশ্রয় নিয়েছে।
১৯৬১ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করা থমাস ডুলি জার্মান ফুটবলের উন্নত পরিবেশে বড়
হয়েছেন। খেলোয়াড় হিসেবে জার্মান ক্লাব ফুটবলে দীর্ঘ ১৭ বছর কাটানোর পর তিনি
যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ১৯৯৪ ও ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে আমেরিকার হয়ে মাঠ কাঁপানো এই
ফুটবলার ১৯৯৮ আসরে জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক
ক্যারিয়ারে ৮১ ম্যাচে ৭ গোল করা ডুলি ২০০২ সাল থেকে কোচিংকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।
সম্প্রতি গায়ানা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করার পরই বাংলাদেশের কোচ হিসেবে
তাঁর নাম জোরালোভাবে আলোচনায় আসে। বাফুফের এই নতুন পছন্দ দেশের ফুটবলে কতটুকু
ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, তা-ই এখন দেখার বিষয়।











