২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের লাল-সবুজের ডেরায় কাজ করার প্রথম ধাপটি শেষ হলো। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে বিদায় নিলেন তিনি। জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটার এবং অন্যান্য কোচিং স্টাফদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশে বিদায় জানানো হয় তাকে। এ
২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ
সালাউদ্দিনের লাল-সবুজের ডেরায় কাজ করার প্রথম ধাপটি শেষ হলো। পাকিস্তানের বিপক্ষে
ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে
বিদায় নিলেন তিনি। জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটার এবং অন্যান্য কোচিং স্টাফদের
উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশে বিদায় জানানো হয় তাকে। এ সময় তিনি ক্রিকেটারদের
সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শ দেন।
জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়লেও সালাউদ্দিন দেশের ক্রিকেট সংলগ্ন কোচিং কার্যক্রমের
সঙ্গেই থাকছেন। বিসিবির পাইপলাইন মজবুত করার লক্ষ্যে তাকে হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি)
ইউনিটের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূলত দেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের তৈরি
করতে এবং জাতীয় দলের ব্যাকআপ খেলোয়াড় নিশ্চিত করতেই অভিজ্ঞ এই কোচের ওপর ভরসা
রেখেছে ক্রিকেট বোর্ড। আগামী মৌসুমে এইচপি ইউনিট নিয়ে বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা
বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বিসিবি।
এবারের এইচপি বিভাগে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো কোনো
নির্দিষ্ট বয়সের মানদণ্ড না থাকা। আসন্ন মৌসুমের জন্য সাদা এবং লাল বলের ক্রিকেট
মিলিয়ে মোট ৩৫ জন ক্রিকেটারকে বাছাই করা হয়েছে। সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে এই কোচিং
প্যানেলে আরও থাকছেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা
জুবায়েরের মতো অভিজ্ঞ কোচরা। তরুণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানের করে
গড়ে তোলাই হবে এই শক্তিশালী প্যানেলের মূল কাজ।
সালাউদ্দিনের নতুন এই অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি দ্বিপাক্ষিক
সিরিজ দিয়ে। আগামী ১ জুন থেকে এই সিরিজের ক্যাম্প শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং ৩ জুন
জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল বাংলাদেশে পৌঁছাবে। আগামী ৮, ১০ এবং ১৩ জুন বগুড়া ও রাজশাহীর
মাঠে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে
দুটি চারদিনের বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। এই সিরিজের মাধ্যমেই
এইচপির নতুন কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেবেন সালাউদ্দিন।
জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে সালাউদ্দিন এখন নিজেকে তৈরি করছেন তৃণমূল ও
উদীয়মান ক্রিকেটারদের মেধা বিকাশে। বিসিবির এই কৌশলগত পরিবর্তন মূলত ঘরোয়া
ক্রিকেটের মানোন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে
মনে করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ সালাউদ্দিনের হাত ধরে হাই-পারফরম্যান্স বিভাগ থেকে ভবিষ্যতে
জাতীয় দলের জন্য আরও প্রতিভাবান খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে, এমনটাই প্রত্যাশা ক্রিকেট
সংশ্লিষ্টদের।











