আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে বড় ধরণের ইতিবাচক গতি সঞ্চার হয়েছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা বৈধ পথে মোট ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মে মাসের শুরু থেকে এই সময় পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে বড় ধরণের ইতিবাচক গতি
সঞ্চার হয়েছে। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা বৈধ পথে মোট ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ
মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এই
তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মে মাসের শুরু থেকে এই সময় পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ১৩
কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগের বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৭৯ কোটি
৩০ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে অর্থ পাঠানোর হার উল্লেখযোগ্যভাবে
বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ মে পর্যন্ত
বাংলাদেশে সর্বমোট ৩ হাজার ১৮১ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় যুক্ত হয়েছে। গত
অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। সংশ্লিষ্টদের
মতে, ঈদুল আজহার বাড়তি কেনাকাটা ও কোরবানির খরচের কথা মাথায় রেখে প্রবাসীরা তাঁদের
পরিবারের নিকট অধিক পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
ইতিপূর্বে গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার আসার মাধ্যমে বাংলাদেশের
ব্যাংকিং ইতিহাসে মাসিক আয়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছিল এবং এর পরের মাস এপ্রিলেও ৩১২
কোটি ৭৩ লাখ ডলারের শক্তিশালী প্রবাহ বজায় ছিল। বর্তমানের এই ধারাবাহিকতা বজায়
থাকলে অর্থবছরের শেষে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে হুন্ডি প্রতিরোধে কড়াকড়ি ও ব্যাংকিং চ্যানেলে সুবিধা বৃদ্ধির ফলে
প্রবাসীরা বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন ।











