পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে বাংলাদেশের ইতিহাস

পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে বাংলাদেশের ইতিহাস

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে পরাজিত করে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করল পাকিস্তানকে। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ জেতার এক অনন্য ও গৌরবময় কীর্তি গড়ল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পঞ্চম

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে

পাকিস্তানকে ৭৮ রানে পরাজিত করে ২-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে

বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করল পাকিস্তানকে। টেস্ট

ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ জেতার এক

অনন্য ও গৌরবময় কীর্তি গড়ল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ৪৩৭

রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রানে

অলআউট হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্পিনার তাইজুল

ইসলাম ৬টি উইকেট শিকার করেন।

ম্যাচের শেষ দিকে পাকিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলে

দলের আশা জিইয়ে রাখার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শরীফুল ইসলামের বলে মিরাজকে

ক্যাচ দিয়ে শতক থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থাকতেই বিদায় নিতে হয় তাঁকে। এছাড়া শান মাসুদ

৭১ এবং সালমান আগা ৭১ রান করেন। রিজওয়ান ও সাজিদের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি ভেঙে

বাংলাদেশের জয় ত্বরান্বিত করেন তাইজুল। মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো এবং কুমার

ধর্মসেনার তত্ত্বাবধানে চলা এই ম্যাচে বাংলাদেশের বোলার ও ফিল্ডারদের সম্মিলিত

প্রচেষ্টা ছিল চোখে পড়ার মতো।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৯০ রান সংগ্রহ করে বড় লিড নিশ্চিত করে। দলের হয়ে

রেকর্ড সৃষ্টিকারী ১৩৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। এই ইনিংসের

মাধ্যমেই তিনি মুমিনুল হককে টপকে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪টি সেঞ্চুরির

মালিক হন। একই ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন এই

অভিজ্ঞ ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের অনবদ্য সেঞ্চুরি করা লিটন দাস দ্বিতীয়

ইনিংসেও ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে খুররম শাহজাদ ৪টি এবং সাজিদ খান ৩টি উইকেট শিকার করলেও

তা বাংলাদেশের জয়রথ থামাতে যথেষ্ট ছিল না। অভিষেক টেস্টে তানজিদ হাসান প্রথম ইনিংসে

২৬ রান করে আশার আলো দেখালেও তাঁর আউট হওয়ার ধরণকে অনেকে “আত্মহত্যা” হিসেবে বর্ণনা

করেছেন। অন্যদিকে, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম দুই ইনিংসেই পাকিস্তানের টপ

অর্ডারকে শুরুতেই বিপদে ফেলে বাংলাদেশের জয় সুগম করেন। সিলেটের প্রতিকূল আবহাওয়া ও

বৃষ্টির শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত টাইগারদের এই ঐতিহাসিক সিরিজ জয় দেশের ক্রিকেট

ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos