রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সি শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পল্লবীর সেকশন-১১ নম্বর এলাকায় মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু রামিসা মিরপুরের পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে
রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সি শিশুর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা
হয়েছে। পল্লবীর সেকশন-১১ নম্বর এলাকায় মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত
শিশু রামিসা মিরপুরের পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত
সোহেল রানাকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না
আক্তারকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সারে দশটার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য
খোঁজ করেও না পেয়ে ভবনে খোঁজাখুঁজি শুরু করতে থাকেন তার মা। ভবনের তৃতীয় তলায়
রামিসাদের বাসার অপর পাশের ফ্ল্যাটের সামনে পাওয়া যায় রামিসার একটি স্যান্ডেল।
এরপর পুরো ভবনে খোঁজাখুঁজি শেষে তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু
করেন রামিসার মা ও ভবনের অন্য বাসিন্দারা। কিছুতেই ভেতর থেকে দরজা খুলছিলেন না
ফ্ল্যাটের কেউই। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার পর সোহেল রানার রুমের খাটের নিচে পাওয়া
যায় শিশু রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ। পরে শিশুটির খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায় ভবনের
বাথরুমে একটি বালতিতে। ফ্ল্যাটটিতে তখন হত্যায় সন্দেহভাজন সোহেল রানার স্ত্রী
স্বপ্না বেগম ছিলেন। রুমে প্রবেশ করে দেখা যায় পেশায় রিকশা মেকানিক সোহেল রানা
জানালার গ্রিল কেটে পালিয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পল্লবী থানার পুলিশ এবং মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির
বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।











