কবি জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতার সেই রহস্যময়ী চরিত্র ‘বনলতা সেন’ এবার বড় পর্দায় হাজির হচ্ছে। কয়েক দফা মুক্তি পেছানোর পর অবশেষে আগামী ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি। শুক্রবার (১৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার একটি নতুন ও আকর্ষণীয় পোস্টার শেয়ার করে এই খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রের
কবি জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতার সেই রহস্যময়ী চরিত্র ‘বনলতা সেন’ এবার বড় পর্দায়
হাজির হচ্ছে। কয়েক দফা মুক্তি পেছানোর পর অবশেষে আগামী ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পেতে যাচ্ছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি। শুক্রবার
(১৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার একটি নতুন ও আকর্ষণীয় পোস্টার শেয়ার করে এই
খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেত্রী মাসুমা
রহমান নাবিলা। জীবনানন্দের কবিতার প্রতি পাঠকদের যে চিরন্তন আবেগ রয়েছে, তাকে
কেন্দ্র করেই এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
প্রকাশিত নতুন পোস্টারটি দর্শকদের মনে গভীর কৌতূহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
পোস্টারে দেখা যাচ্ছে একটি বিশালাকৃতির প্রাচীন ফটক, যার ওপর ময়ূরের পেখম সদৃশ একটি
বিশাল রাজমুকুট শোভা পাচ্ছে। সেই দরজার একটি বড় চাবির ছিদ্রে এক ব্যক্তিকে উঁকি
দিতে দেখা যায়, যা গল্পের রহস্যময়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পোস্টারের ক্যাপশনে নাবিলা এক
ধাঁধাময় বার্তা দিয়ে লিখেছেন যে, এটি কোনো জাদুমন্ত্রের ঘর নয় বরং এমন এক ঘর যার
চাবি থাকলেও তালা খোলার কোনো পথ নেই। এই বাণীর মাধ্যমে তিনি মূলত দর্শকদের রূপালি
পর্দায় বনলতা সেনের জীবন ও জগত দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
সিনেমাটির অভিনয়শিল্পী নির্বাচনেও এক বিশাল চমক রাখা হয়েছে। রুপালি পর্দায় কবি
জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার।
কবির ভাবমূর্তি এবং কবিতার ভেতরের হাহাকার ফুটিয়ে তুলতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন
বলে জানা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহেল
মণ্ডল, নাজিবা বাশার, প্রিয়ন্তী উর্বী, রূপন্তী আকিদ এবং শরিফ সিরাজসহ আরও একঝাঁক
প্রতিভাবান শিল্পী। তাঁদের সম্মিলিত পারফরম্যান্স সিনেমাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে
যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চলচ্চিত্রটি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৭০ লাখ টাকা অনুদান লাভ
করেছিল। পরিচালক মাসুদ হাসান উজ্জ্বল এই প্রজেক্টটি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন
এবং তাঁর পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ সালেই এটি দর্শকদের সামনে নিয়ে আসা। তবে দেশের তৎকালীন
রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিতিশীলতার কারণে কয়েক দফায় সিনেমাটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে
দিতে হয়েছিল। অবশেষে সকল জটিলতা কাটিয়ে কোরবানির ঈদের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এটি
মুক্তি পাচ্ছে। কবিতার সেই রূপক ও দর্শনের মিশেলে নির্মিত এই সিনেমাটি বাংলা
চলচ্চিত্রের সৃজনশীল দর্শকদের জন্য এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে
করছেন।











