জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো

জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো

সান মারিনোর বিপক্ষে আগামী ৫ জুন একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইতালির ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে অবস্থিত দেশটিতে যাতায়াতের জন্য ইতালি দূতাবাসের মাধ্যমে ট্রানজিট ভিসার প্রয়োজন হওয়ায় আজ রাজধানীর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেক

সান মারিনোর বিপক্ষে আগামী ৫ জুন একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ফুটবল দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আজ

আনুষ্ঠানিকভাবে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া শুরু

করেছে। ইতালির ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে অবস্থিত দেশটিতে যাতায়াতের জন্য ইতালি

দূতাবাসের মাধ্যমে ট্রানজিট ভিসার প্রয়োজন হওয়ায় আজ রাজধানীর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেক

ফুটবলার উপস্থিত হয়ে তাঁদের আঙ্গুলের ছাপ প্রদান করেছেন। ইউরোপের ভিসা প্রাপ্তি

কিছুটা সময়সাপেক্ষ হওয়ায় বাফুফে আগেভাগেই এই প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করার

উদ্যোগ নিয়েছে।

এবারের ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়ায় অন্যতম বড় চমক হিসেবে হাজির হয়েছেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক

আনিসুর রহমান জিকো। ২০২৩ সালে বেঙ্গালুরু সাফে টুর্নামেন্টসেরা হওয়ার পর

শৃঙ্খলাজনিত কারণ ও সাবেক কোচের সিদ্ধান্তের ফলে তিনি জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে

পড়েছিলেন। ঘরোয়া লিগে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে তাঁর বর্তমান ফর্ম বিচারে তাঁকে পুনরায়

জাতীয় দলের বিবেচনায় আনা হয়েছে। যদিও শুরুতে তাঁকে মালদ্বীপে চারজাতি টুর্নামেন্টের

স্কোয়াডে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সান মারিনো সফরে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর

বিশেষ আগ্রহের কথা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে ইউরোপ সফরের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত

করেছে ফেডারেশন।

আজকের এই ভিসা প্রক্রিয়ায় জিকো ছাড়াও অংশ নিয়েছেন রক্ষণভাগের তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ

ঘোষ, রহমত মিয়া এবং আক্রমণভাগের রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন ও ফাহিমের মতো

গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা। এছাড়া সোহেল রানা (সিনিয়র ও জুনিয়র) এবং গোলরক্ষক মিতুল

মারমাকেও এই তালিকায় দেখা গেছে। তবে দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, প্রবাসী তারকা

হামজা চৌধুরী ও সামিত সোমের কাছে ডেনমার্ক, ইংল্যান্ড ও কানাডার পাসপোর্ট থাকায়

তাঁদের জন্য আলাদা করে ইউরোপীয় ভিসার প্রয়োজন পড়বে না। অন্যদিকে, ঘরোয়া লিগে

মোহামেডানের হয়ে দুর্দান্ত খেলা সত্ত্বেও সৌরভ দেওয়ানকে এই উচ্চপর্যায়ের সফরের জন্য

চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়নি।

বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদটি শূন্য থাকায় স্থানীয় কোচদের

সমন্বয়ে গঠিত একটি টেকনিক্যাল কমিটি খেলোয়াড়দের এই তালিকা প্রস্তুত করেছে। মারুফুল

হক, সাইফুল বারী টিটু এবং হাসান আল মামুনের তত্ত্বাবধানে সান মারিনো ও মালদ্বীপ

সফরের জন্য দুটি আলাদা দল গঠন করা হয়েছে। সান মারিনো সফরে দলের ম্যানেজার হিসেবে

দায়িত্ব পালন করবেন আমের খান এবং গোলরক্ষক কোচ হিসেবে থাকছেন নুরুজ্জামান নয়ন।

বাফুফে আশা করছে, আগামী ১৫ মে’র মধ্যে নতুন বিদেশি কোচের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত

হবে এবং তাঁর অধীনেই ইউরোপের মাটিতে সান মারিনোর বিপক্ষে একটি লড়াকু ম্যাচ উপহার

দেবে বাংলাদেশ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos