সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমন্ত্রিত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’

সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমন্ত্রিত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’

রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জয়ের ধারাবাহিকতায় আরও একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে নাম লেখাল রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’। অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ৭৩তম সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ‘ফিচার্স’ বিভাগে ছবিটির অস্ট্রেলিয়ান প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বজুড়ে সারাবছরের সবচেয়ে আলোচিত এবং শৈল্পিক মানের চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে সাজানো এই বিভাগে বাংলাদেশের এই পলিটিক্যাল থ্রিলারটি স্থান করে নিয়েছে। উৎসবের এই বিশেষ

রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জয়ের ধারাবাহিকতায়

আরও একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে নাম লেখাল রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের চলচ্চিত্র

‘মাস্টার’। অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ৭৩তম সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ‘ফিচার্স’

বিভাগে ছবিটির অস্ট্রেলিয়ান প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বজুড়ে সারাবছরের সবচেয়ে

আলোচিত এবং শৈল্পিক মানের চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে সাজানো এই বিভাগে বাংলাদেশের এই

পলিটিক্যাল থ্রিলারটি স্থান করে নিয়েছে।

উৎসবের এই বিশেষ বিভাগে এবার ‘মাস্টার’-এর পাশাপাশি প্রদর্শিত হবে বার্লিনালে ও

সানড্যান্স জয়ী ছবি ‘ফিলিপিনানা’। অন্যদিকে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হবে

আসগর ফারহাদি ও ক্রিস্টিয়ান মুঞ্জিউর মতো কিংবদন্তি নির্মাতাদের কান-ফেরত

চলচ্চিত্রসমূহ। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ থেকে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ এবং ‘অন্যদিন’ এই উৎসবে

প্রদর্শিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল।

সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের প্রোগ্রাম টিম ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করে তাদের অফিসিয়াল

রিভিউতে জানিয়েছে, “রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের দ্বিতীয় এই সিনেমাটি অত্যন্ত

আত্মবিশ্বাসের সাথে নির্মিত। এর উজ্জ্বল কালার প্যালেট গল্পের ভেতরের অন্ধকার

দিকগুলোকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলে। নাসির উদ্দিন খান এবং আজমেরী হক বাঁধনের অনবদ্য

অভিনয় সিনেমাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।”

১২৬ মিনিটের এই ছবিটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে জহির নামের একজন শিক্ষককে ঘিরে, যিনি

পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান

নির্বাচিত হন। ক্ষমতার বলয়ে ঢুকে পড়ার পর আদর্শ আর দুর্নীতির সংঘাতের মাঝে তাঁর

বদলে যাওয়ার এক জটিল আখ্যান ফুটে উঠেছে এই সিনেমায়।

কারিগরি দিক থেকে আন্তর্জাতিক মানের এই চলচ্চিত্রের সম্পাদনা করেছেন অস্কার মনোনীত

ছবির সম্পাদক ক্রিস্টান স্প্রাগ। সংগীতের দায়িত্ব পালন করেছেন লস অ্যাঞ্জেলেসের

তাইওয়ানিজ সুরকার হাও টিং শি। ছবিটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ও

বুসানের আধুনিক স্টুডিওতে সম্পন্ন হয়েছে। নাসির উদ্দিন খান ও আজমেরী হক বাঁধন ছাড়াও

এতে অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম, ফজলুর রহমান বাবু ও তাসনোভা তামান্নাসহ একঝাঁক

তারকা। জাতীয় চলচ্চিত্র অনুদানপ্রাপ্ত এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ‘মাইপিক্সেলস্টোরি’।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos