‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো প্রজেক্ট’ নামের একটি ভুয়া বিনিয়োগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে জনসাধারণের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। সিআইডির প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মো. ওবায়দুল্লাহকে (৩৩) সিআইডি-র ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিটের একটি দল ঢাকার সবুজবাগ থানার
‘নাজরান ফিশারীজ এন্ড এগ্রো প্রজেক্ট’ নামের একটি ভুয়া বিনিয়োগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে
জনসাধারণের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্পের সঙ্গে
সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন
ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
সিআইডির প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মো.
ওবায়দুল্লাহকে (৩৩) সিআইডি-র ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিটের একটি দল ঢাকার সবুজবাগ
থানার বাসাবো এলাকা থেকে আটক করে।
তদন্তকারীদের মতে, এই প্রতারক চক্রটি উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুক্তভোগীদের
প্রলুব্ধ করত এবং দাবি করত যে এক লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে মাসে তিন হাজার টাকা মুনাফা
পাওয়া যাবে এবং ৩৩ মাসের মধ্যে তা দ্বিগুণ হবে।
ভুক্তভোগীদের অতিরিক্ত বড় অংকের বিনিয়োগ করতে এবং প্লট কেনার জন্যও চাপ দেওয়া হতো।
সিআইডি সূত্র জানিয়েছে যে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, রিসিপ্ট এবং সার্ভার ডেটা থেকে পাওয়া
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, হাজার হাজার ভুক্তভোগী এই প্রতারণামূলক
প্রকল্পে আনুমানিক ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি একাই ১৪টি ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ২.৫ কোটি
টাকার লেনদেন পরিচালনা করেছেন বলে জানা গেছে।
বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের পর প্রতারকরা তাদের অফিস বন্ধ করে দেয় এবং আত্মগোপনে
চলে যায়। গোয়েন্দা ভিত্তিক ট্র্যাকিং এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে
ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা
হয়েছে এবং প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে যে-কোনো বিনিয়োগ করার আগে সতর্ক থাকতে এবং পরিচয়পত্র যাচাই
করার আহ্বান জানিয়েছে।











