সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান সূচকটি ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও অন্য দুটি সূচকে পতন লক্ষ করা গেছে। তবে সামগ্রিক বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং লেনদেন আবারও হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করেছে। বাজারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে সর্বমোট
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে
(ডিএসই) মূল্য সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান সূচকটি
ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও অন্য দুটি সূচকে পতন লক্ষ করা গেছে। তবে সামগ্রিক বাজারে
বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং লেনদেন আবারও হাজার কোটি টাকার ঘর
অতিক্রম করেছে।
বাজারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে সর্বমোট ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানের
শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাত্র ৯০টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, বিপরীতে দরপতন ঘটেছে ২৫১টি
কোম্পানির এবং ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর
কমলেও ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে উন্নীত
হয়েছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ হাজার ৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে
২ হাজার ১৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ১ হাজার ২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা
গত সোমবারের তুলনায় ৭০ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। এর আগের কার্যদিবসে এক্সচেঞ্জটিতে
৯৫৬ কোটি ১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। এক দিনের ব্যবধানে লেনদেনের এই উল্লম্ফন
বিনিয়োগকারীদের বাজারে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই এদিন ৩৬
পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮৪১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসইতে মোট ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের
শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে ৮০টির দর বেড়েছে এবং ১১০টির দর কমেছে।
বাকি ২৪টি প্রতিষ্ঠানের দর ছিল অপরিবর্তিত। চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার মোট ২২
কোটি ৫৩ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।











