দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমান, মালয়েশিয়া এবং ভারতের থেকে একসঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বড় ধরনের ডিজেল আমদানি করেছে বাংলাদেশ। শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে মোট ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল, যা দেশের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে। এই স্বস্তিদায়ক খবর জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এই পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে দেশের দৈনিক
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমান, মালয়েশিয়া এবং ভারতের থেকে একসঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বড় ধরনের ডিজেল আমদানি করেছে বাংলাদেশ। শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে মোট ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল, যা দেশের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে। এই স্বস্তিদায়ক খবর জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এই পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে দেশের দৈনিক গড় চাহিদা প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টন ডিজেল পূরণ করা সম্ভব হবে, ফলে অন্তত আট দিন দেশের জ্বালানি সরবরাহ শতভাগ স্বাভাবিক থাকবে।
বন্দর ও শিপিং সূত্র বলছে, সোমবার ভোররাত ২টার দিকে ওমান থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘গোল্ডেন হরাইজন’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। এটি ছিল এই সপ্তাহের প্রথম বড় চালান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকেলে আরও দুইটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়। একটি মালয়েশিয়া থেকে এসেছে, যার নাম ‘এফপিএমসি ৩০’, এবং এটি ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে এলো। অন্যটি ভারত থেকে এসেছে, যার মাধ্যমে একই পরিমাণ ৩৩ হাজার টন ডিজেল অতিক্রম করে আসছে।
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তাদের মতে, দেশের দৈনিক মোট চাহিদা প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টন। এই পরিস্থিতিতে আজকের এই আমদানির মাধ্যমে দেশের সাত দিন থেকে বেশি সময়ের জ্বালানি সরবরাহের অব্যাহত থাকাকে নিশ্চিত করা সম্ভব।
প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, সরবরাহ অব্যাহত রাখতে দ্রুত খালাসের জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আগ থেকে লাইটার জাহাজ প্রস্তুত রেখেছি, বড় জাহাজগুলো যথা সময়ে বহির্নোঙরে ভিড়লে দ্রুত খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।’ তার মতে, শেষ কয়েক দিনের মধ্যে ছোট বড় আরও বেশ কয়েকটি জাহাজ আমদানি করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে আরও দুটি বড় জাহাজ আসার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে রয়েছে ৩৩ হাজার টন ডিজেল আর অন্যটিতে ৩৪ হাজার ৬০০ টন জেট ফুয়েল, যা বিমানের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই ধারাবাহিক আমদানির ফলে দেশের জ্বালানি সংকটের কোনও আশঙ্কা এখন দূর হয়েছে। তারা মনে করছেন, দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কোনও অঘটন হবে না।











