ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রায় ৫.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। জার্মানির জিএফজেড (GFZ) ভূ-বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৮। গভীর রাতে হঠাৎ এই প্রবল ভূ-কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে আজ রবিবার

(১৯ এপ্রিল) ভোরে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। জার্মানির জিএফজেড (GFZ)

ভূ-বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা

ছিল ৫.৮। গভীর রাতে হঠাৎ এই প্রবল ভূ-কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক

ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই প্রাকৃতিক

দুর্যোগের খবরটি নিশ্চিত করেছে।

ভূ-তাত্ত্বিকদের দেওয়া তথ্যমতে, এই ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার বা

প্রায় ৬ মাইল গভীরে আঘাত হেনেছে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি গভীরতায় হওয়া

ভূমিকম্পের কম্পন অনেক বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হয়। স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ৬ মিনিটে যখন

মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, ঠিক তখনই এই দুর্যোগটি হানা দেয়। কম্পনটির

সুনির্দিষ্ট উপকেন্দ্র ছিল ১.২৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৭.২১ ডিগ্রি পূর্ব

দ্রাঘিমাংশে। উত্তর সুমাত্রার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই কম্পন বেশ কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী

ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

তবে আশার কথা হলো, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের ফলে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির সংবাদ

পাওয়া যায়নি। এছাড়া বড় ধরণের কোনো অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে

উঠে আসেনি। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে

পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে পরবর্তী কম্পন বা আফটারশক সম্পর্কে সতর্ক

থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। ভৌগোলিকভাবে

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগ্নেয় মেখলা অঞ্চলে অবস্থানের কারণে দেশটিতে

প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। গত কয়েক বছরে

দেশটিতে একাধিক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের নজির থাকলেও আজকের ৫.৮ মাত্রার কম্পনটি বড় কোনো

বিপর্যয় না ঘটানোয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া

পর্যন্ত প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos