যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছেন, তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যেখানে, কিন্তূ এর মধ্যেই প্রকাশিত হলো যে, তার সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা যাচাইয়ের তথ্য গোপন হয়েছিল। এই তথ্যটি জানা না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা তার সমর্থকদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও ২০২৪ সালের
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছেন, তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যেখানে, কিন্তূ এর মধ্যেই প্রকাশিত হলো যে, তার সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা যাচাইয়ের তথ্য গোপন হয়েছিল। এই তথ্যটি জানা না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা তার সমর্থকদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদিও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি ঐতিহাসিক জয় লাভ করেছে, এই বিতর্ক টিকে থাকায় স্টারমার সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, এই ঘটনায় তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি, বেশ কয়েকটি কেলেঙ্কারির মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের আগে নিরাপত্তা যাচাইয়ে ছিল একটি বড় ব্যর্থতা। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনের উপর তদন্তের মধ্যে, জানা গেছে যে, তার নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছিলেন। এই তথ্য জানানো হয়নি প্রধানমন্ত্রীকে, যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার তার কার্যালয় থেকে জানিয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছেন, কিন্তু বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন—প্রথমত, এমন গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য প্রধানমন্ত্রী কি করে জানানো হয়নি? এমন পরিস্থিতিতে তার পদত্যাগের আহ্বান উঠছে।
এদিকে, তিনি ইরান সংকট ও আন্তর্জাতিক যাবতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। তার বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘আমি parliament-এ বলেছি যে, নিয়োগের সময় সব নিয়ম মেনে চলা হয়েছে। কিন্তু ম্যান্ডেলসনের নিরাপত্তা যাচাইয়ে বাদ পড়া বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি, এটি অগ্রহণযোগ্য।’
বুধবার, তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি সোমবার পার্লামেন্টে সব প্রাসঙ্গিক তথ্য তুলে ধরবেন। তার এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, এখনো তার পদত্যাগের পরিকল্পনা নেই।
তবে, এই কেলেঙ্কারির প্রভাব কমাতে, বৃহস্পতিবার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিলম্বে কাজ করেছে এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা অলি রবিন্সকে বরখাস্ত করেছে।
প্রিয়ন্তীভাবেই মনে করা হচ্ছে, এই নিরাপত্তা দুর্বলতার ব্যাপারে সরকারের অদূরদর্শিতা ফুটে উঠেছে। এর ফলে, সরকারের ওপর নেতিবাচক ধারণা জন্মেছে এবং সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর প্রশ্ন উঠেছে।
বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদরা বলছেন, যেহেতু ম্যান্ডেলসনের নিয়োগের সিদ্ধান্ত স্টারমার নিজে নিয়েছেন, তাই এই ঘটনা তার সভাপতিত্বের দুর্বলতা তুলে ধরে। কেউ কেউ বলছেন, এখনই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের সময় হয়েছে।
অন্যদিকে, রাজনীতির উচ্চ পর্যায়ের মানুষরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে কিছু উচিৎ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানো যায়। আর, দলের ভিতরে দুর্বলতা ও বিশ্বাসের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনে বিপর্যয়ের আশঙ্কাও দুর্বার হয়ে উঠেছে।











