৭০ টাকার বিদ্যুতে ৬৫ কিলোমিটার চলবে ফারহানের এই গাড়ি!

৭০ টাকার বিদ্যুতে ৬৫ কিলোমিটার চলবে ফারহানের এই গাড়ি!

নাটোরের বড়াইগ্রামের তরুণ প্রকৌশলী কাসমিম আহমেদ ফারহান ‘মার্সেনারি’ নামে একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক কার তৈরি করেছেন। মাত্র ৭০ টাকার বিদ্যুৎ খরচে ৬০-৬৫ কি.মি. পথ পাড়ি দিতে সক্ষম এই গাড়িটির গতি ঘণ্টায় ৭০ কি.মি. এবং এটি ৬ জন যাত্রী ধারণ করতে পারে। জানা যায়, নাটোরের বড়াইগ্রামের মাঝগ্রামের তরুণ কাসমিম আহমেদ ফারহান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ

নাটোরের বড়াইগ্রামের তরুণ প্রকৌশলী কাসমিম আহমেদ ফারহান ‘মার্সেনারি’ নামে একটি

সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক কার তৈরি করেছেন। মাত্র ৭০ টাকার বিদ্যুৎ খরচে

৬০-৬৫ কি.মি. পথ পাড়ি দিতে সক্ষম এই গাড়িটির গতি ঘণ্টায় ৭০ কি.মি. এবং এটি ৬ জন

যাত্রী ধারণ করতে পারে।

জানা যায়, নাটোরের বড়াইগ্রামের মাঝগ্রামের তরুণ কাসমিম আহমেদ ফারহান মেকানিক্যাল

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ করে নিজ উদ্যোগে মার্সেনারি নামে একটি ইলেকট্রিক ক্রস

ওভার কার তৈরি করেছেন। এখন গ্রামের মেঠোপথ ধরে ছুটে চলতে দেখা যায় গাড়িটিকে।

গাড়িটির আবিস্কারক ফারহান তার তৈরি করা গাড়িটির নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন।

সাশ্রয়ী প্রযুক্তি: গাড়িটি মাত্র ৭০ টাকার বিদ্যুৎ খরচে ৬৫-৭০ কিলোমিটার চলতে

পারে, যা বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময়ে একটি বিশাল সাফল্য।

উন্নত গিয়ার সিস্টেম: এটি দেশে প্রচলিত সাধারণ ই-কারের চেয়ে আধুনিক। এতে ‘ডুয়েল পাত

ফোর স্পিড গিয়ার বক্স’ রয়েছে, যার মাধ্যমে ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন এবং ডিরেক্ট

ড্রাইভ—উভয় মোডেই চালানো সম্ভব।

গতি ও ক্ষমতা: গাড়িটির সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার এবং এতে ৬ জন যাত্রী

বসার সুবিধা রয়েছে।

মেকানিক্যাল দক্ষতা: ফারহান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র হওয়ায় তার কারিগরি

জ্ঞানকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছেন।

ফারহানের দাবি, মাত্র ৭০ টাকার বিদ্যুত খরচে গাড়িটি ৬৫ থেকে ৭০ কিলোমিটার চলতে

পারে-যা বর্তমান জ্বালানি সংকটে সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ভবিষ্যতে

তিনি অটোমোবাইল সেক্টরে কাজ করে নিজের প্রকল্পকে আরও উন্নত করতে চান তিনি।

এক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি তার। স্থানীয়রা বলছেন, ফারহানের তৈরি এই

বৈদ্যুতিক গাড়িটি বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময়ে অল্প বিদ্যুৎ খরচে চলতে সক্ষম। কম

খরচে তৈরি এমন একটি গাড়ি যদি সরকারি উদ্যোগে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করা যায়। তবে

তা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে দাঁড়াবে। ফারহানের তৈরি ইলেকট্রিক

ক্রস ওভার কার বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ

করবেন বলে জানান বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস।

ফারহানের মতো তরুণ উদ্ভাবকদের যদি সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া যায়, তবে

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos