ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম महान খেলোয়াড় এবং আটবারের ব্যালে ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসি এবার নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ ক্লাব ‘ইউই কর্নেল্লা’র মালিকানা خریدেছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো, যেখানে এই চাঞ্চল্যকর খবরে আলোকপাত করা হয়। মেসির এই নতুন উদ্যোগটি মূলত তার গভীর কাতালানীয় বন্ধুত্ব এবং
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম महान খেলোয়াড় এবং আটবারের ব্যালে ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসি এবার নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। বিশ্বখ্যাত স্প্যানিশ ক্লাব ‘ইউই কর্নেল্লা’র মালিকানা خریدেছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো, যেখানে এই চাঞ্চল্যকর খবরে আলোকপাত করা হয়। মেসির এই নতুন উদ্যোগটি মূলত তার গভীর কাতালানীয় বন্ধুত্ব এবং আধ্যাত্মিক সম্পর্কের প্রতিফলন। এটি তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবল দক্ষতা বিকাশে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইউই কর্নেল্লা, যার প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৫১ সালে, স্প্যানিশ ফুটবলে প্রতিভা বিকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বেশ মজার বিষয় হলো, মেসির সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন প্রশংসিত সতীর্থই এই ক্লাবের থেকে উঠে আসছেন। উদাহরণস্বরূপ, বার্সেলোনার কিংবদন্তি জর্দি আলবা, বর্তমান জাভি পুয়াদো, গোলরক্ষক ডেভিড রায়া, এবং জেরার্ড মার্টিন সেই তালিকার অংশ। এই ক্রমবর্ধমান ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের মালিকানা লাভ করে মেসি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নতুন প্রজন্মের ফুটবলার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করতে আগ্রহী।
খেলার বাইরে সংগঠনের দিকে তাকালে দেখা যায়, লিওনেল মেসি আগে থেকে এই ধরনের উদ্যোগে আগ্রহী ছিলেন। বিশেষ করে ডিসেম্বরে মিয়ামিতে আয়োজন করা ‘মেসি কাপ’ শীর্ষ স্থান পায় তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পরিষ্কার করতে। এবার স্পষ্ট হলো, তিনি একটি স্প্যানিশ ক্লাবের মালিকানা গ্রহণের মাধ্যমে আরও বড় লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। মূল লক্ষ্য হলো স্থিতিশীলতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমন্বয় করে ক্লাবটি একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।
মেসির এই মালিকানায় ইউই কর্নেল্লা সামনে এক স্বর্ণালী যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ক্লাবের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মেসির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও কৌশলগত দূরদর্শিতা ক্লাবের খেলাধুলার মান ও অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরিবর্তন করে দেবে। বিশ্ব ফুটবলে একজন কিংবদন্তি হিসেবে কাজের পাশাপাশি, এখন তিনি একজন নেতার ভূমিকাও গ্রহণ করেছেন। পুরো ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগের ফলাফল দেখার জন্য। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, এই মালিকানা শুধুমাত্র একটি ব্যবসায়িক বিনিয়োগ নয়— এটি হতে পারে ভবিষ্যৎ ফুটবলের নির্মাণের এক শিল্পকর্ম।











