কালো বস্তা খুলতেই বেরিয়ে এলো মরদেহের ছয় টুকরা

কালো বস্তা খুলতেই বেরিয়ে এলো মরদেহের ছয় টুকরা

কক্সবাজারের টেকনাফে বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কচ্ছপিয়া এলাকার হোছনী খালের একটি কালভার্টের নিচে পড়ে থাকা বস্তা খুলতেই ভীতিকর চিত্র সামনে এসেছে। বস্তার ভিতরে ছিল মানবদেহের ছয়টি টুকরা, যা স্থানীয় এক পক্ষি কুকুরসহ অন্য কিছু perro নিয়ে টানাটানি করছিল। এ খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সেখানে এসে বস্তাটি তুলে আনে এবং খুলতেই দেখা যায়, এটি একটি পুরুষের মরদেহের

কক্সবাজারের টেকনাফে বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কচ্ছপিয়া এলাকার হোছনী খালের একটি কালভার্টের নিচে পড়ে থাকা বস্তা খুলতেই ভীতিকর চিত্র সামনে এসেছে। বস্তার ভিতরে ছিল মানবদেহের ছয়টি টুকরা, যা স্থানীয় এক পক্ষি কুকুরসহ অন্য কিছু perro নিয়ে টানাটানি করছিল। এ খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সেখানে এসে বস্তাটি তুলে আনে এবং খুলতেই দেখা যায়, এটি একটি পুরুষের মরদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশের মরদেহটি ছয় ভাগে ভাগ করা হয় এবং পরে সেগুলোকে বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলা হয়, যেন জোয়ারের পানিতে সেগুলো সাগরে ভেসে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বাহারছড়া এলাকা পাহাড়ঘেরা হওয়ায় এটি মানবপাচারের একটি রুট হিসেবে পরিচিত। আগে থেকেই বিভিন্ন প্রলোভনে এখানে আনুষঙ্গিক ঘটনা ঘটে আসছিল, যেখানে লোকজনকে ধরে এনে পাহাড়ের আশ্রয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহটির স্বাভাবিক চেহারার পরিবর্তে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ছয় ভাগে বিভক্ত। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, এটি একজন পুরুষের মরদেহ। তবে তার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, গত বুধবার রাতে তাকে হত্যা করে টুকরা-টুকরা করে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখনো পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়নি। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দেহটি ছয় টুকরা করা হয় এবং নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহের অংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos