আসিফ নজরুলের দাবি, ড. ইউনূস আমাকে কখনো ডাকেননি, কিচেন কেবিনেটের সত্যতা নেই

আসিফ নজরুলের দাবি, ড. ইউনূস আমাকে কখনো ডাকেননি, কিচেন কেবিনেটের সত্যতা নেই

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সমস্ত চুক্তি হয়েছে তুলনামূলকভাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কখনোই তাকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এই চুক্তিগুলো তার কাজের জন্য না হলেও, ইকোনোমিক, ব্যাংকিং ও এনবিআর সংক্রান্ত আলোচনা হলেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টাদের দেখা যেতেন। তবে রাজনৈতিক বা সংস্কারমূলক বিষয়ে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সমস্ত চুক্তি হয়েছে তুলনামূলকভাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কখনোই তাকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এই চুক্তিগুলো তার কাজের জন্য না হলেও, ইকোনোমিক, ব্যাংকিং ও এনবিআর সংক্রান্ত আলোচনা হলেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টাদের দেখা যেতেন। তবে রাজনৈতিক বা সংস্কারমূলক বিষয়ে তাকে কখনো ডাকা হয়নি। তার মতে, গুরুতর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্যার দরকার হলে উপদেষ্টাদের ডেকে থাকতেন।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আসিফ নজরুল প্রশ্নের মুখোমুখি হন, যেখানে বলা হয়েছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছর পঞ্চাদশ সময়ে একটি ‘কিচেন কেবিনেট’ ছিল, যার একজন সদস্য আপনি নিজেও ছিলেন—এমন অভিযোগ আছে। এই প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তির বিষয়ে তাকে কখনো ডাকেননি ড. ইউনূস।

তারপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে কি কখনোই কোনো সরকারের অধীনে ‘কিচেন কেবিনেট’ বা গোপন সভার অস্তিত্ব ছিল? এ সময় তিনি আরও বলেন, কিছু সদস্য হয়তো থাকতেন, কেউ কেউ থাকতেন না। যারা থাকতেন, তারা হয়তো এই বিষয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন না বলে মনে করা হয়।

একজন সাবেক উপদেষ্টার কথা উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে বলছেন, ওই উপদেষ্টারা বলেছিলেন—ড. ইউনূস সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় ছিলেন না। তবে, শ্রম আইন সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্তে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। ইলেকশন কমিশন যখন ইলেকশন ল’ অর্থাৎ নির্বাচন আইনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন উপদেষ্টারা মিলে আলোচনা করেন।

এখন আপনি বলুন, আমাদের অবজার্ভেশন কী ছিল, তা ওই উপদেষ্টাকে বলা হয়েছিল, যেহেতু তিনি এ বিষয়ে বেশি অভিজ্ঞ। তিনি এসব বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos