ভোলা বিসিক শিল্প নগরীতে জ্বালানি সংকটে দুটি কারখানা বন্ধের আশঙ্কা

ভোলা বিসিক শিল্প নগরীতে জ্বালানি সংকটে দুটি কারখানা বন্ধের আশঙ্কা

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোলা বিসিক শিল্প নগরীর দুটি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে। এতে প্রায় দুই শতাধিক কর্মী-অফিসার কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলার খেয়াঘাট সড়কে অবস্থিত বিসিক শিল্প নগরীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিল ও জেকে ট্রেডার্সের মালিক

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোলা বিসিক শিল্প নগরীর দুটি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে। এতে প্রায় দুই শতাধিক কর্মী-অফিসার কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলার খেয়াঘাট সড়কে অবস্থিত বিসিক শিল্প নগরীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিল ও জেকে ট্রেডার্সের মালিক মো. জামাল উদ্দিন খান।

জামাল উদ্দিন খান জানান, উৎপাদন ও পরিবহন কাজে প্রয়োজনীয় ডিজেল না পাওয়া কারণে তাদের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতোমধ্যে মজুদ থাকা সব ডিজেল শেষ হয়ে গেছে, আর নতুন কোনও ডিজেল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “আমাদের কাছাকাছি নদীঘাট থেকে গম পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন চালাতে ডিজেল দরকার, কিন্তু তা এখন পাওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে, উৎপাদিত ময়দা, ভূষি ও মুড়ির পণ্য ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতে পারছি না, যেমন দক্ষিণ আইচা থেকে ইলিশা ফেরিঘাট।”

তিনি আরও জানান, “আজ থেকেই যদি ডিজেল সরবরাহ বন্ধ থাকলে চরফ্যাশন, লালমোহনসহ অন্য উপজেলার বাজারে পণ্য পৌঁছানো বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এবং অবশেষে এই দুই প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে খোঁজ করেও ডিজেল সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে, শিল্প প্রতিষ্ঠান দুটিকে সচল রাখতে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

এ সময় প্রতিষ্ঠান দুটিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের অনুরোধ, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারকে এগিয়ে আসার জন্য।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos