মেক্সিকো ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে সদস্যপদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

মেক্সিকো ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে সদস্যপদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

অর্থাৎ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও প্রশাসন তদারকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি গুরুত্ব দেয়া ‘বোর্ড অব পিস’ নামক আন্তর্জাতিক পরিষদ গঠন করেছেন। এই পরিষদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সঙ্গে মেক্সিকোকেও পূর্ণ সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে, এই আমন্ত্রন প্রত্যাখ্যান করেছে মেক্সিকো। দেশটির সরকার মনে করে, এই পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায়

অর্থাৎ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ও প্রশাসন তদারকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি গুরুত্ব দেয়া ‘বোর্ড অব পিস’ নামক আন্তর্জাতিক পরিষদ গঠন করেছেন। এই পরিষদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সঙ্গে মেক্সিকোকেও পূর্ণ সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে, এই আমন্ত্রন প্রত্যাখ্যান করেছে মেক্সিকো। দেশটির সরকার মনে করে, এই পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিত্বের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মেক্সিকো যেহেতু ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই আমরা মনে করি, বোর্ড অব পিসে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুই পক্ষের প্রতিনিধিত্ব সমান হওয়া জরুরি। কিন্তু এই বিষয়টি সেখানে মানা হয়নি।’

একারণে, মেক্সিকো এই বোর্ডের পূর্ণ সদস্যপদের জন্য আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে, তারা এই পরিষদে পরিদর্শক হিসেবে থাকবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, মেক্সিকো গাজার জন্য নিযুক্ত দেশের দূতকে এই বোর্ডে পরিদর্শক হিসেবে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, ট্রাম্প গাজায় শান্তি স্থাপন করতে ২০টি পয়েন্টে একটি পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন। যেখানে, ইসরায়েল ও হামাস উভয়ে ঐ পরিকল্পনায় সম্মতি জানায়। সেই পরিকল্পনার অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর গাজার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অচিরেই একটি অনির্বাচিত টেকনোক্র্যাট সরকার গঠিত হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী, যার নাম হবে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ, গঠন করা হবে।

এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি আন্তঃদেশীয় বোর্ড অব পিস গঠন করা হবে। এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে গাজার টেকনোক্র্যাট সরকারের কাজকর্ম তদারকি ও পরিচালনা করা। গত জানুয়ারির মাঝামাঝি ট্রাম্প এই বোর্ড গঠন করেন এবং বিভিন্ন দেশকে সদস্যপদ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান। প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত হয় ১০০ কোটি ডলার করে, যা গাজার পুনর্গঠন কাজে খরচ হবে।

এ পর্যন্ত পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ এই বোর্ডের সদস্য পদের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন। সর্বশেষ, ১৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে এই বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos