বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের কাছে এখনও এক অপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই রয়ে গেছে। ক্যারিয়ারে টানা চারটি বিশ্বকাপ খেললেও কাঙ্ক্ষিত সেই সোনালি ট্রফিটি ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য তাঁর হয়নি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওর মাধ্যমে সেই অপূর্ণ স্বপ্ন আবারও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। এমনকি সেই ভিডিওটি
বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের কাছে এখনও এক অপূর্ণ অধ্যায়
হিসেবেই রয়ে গেছে। ক্যারিয়ারে টানা চারটি বিশ্বকাপ খেললেও কাঙ্ক্ষিত সেই সোনালি
ট্রফিটি ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য তাঁর হয়নি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ভাইরাল হওয়া একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওর মাধ্যমে সেই অপূর্ণ
স্বপ্ন আবারও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। এমনকি সেই ভিডিওটি দেখে নিজের আবেগ ধরে
রাখতে পারেননি স্বয়ং নেইমার নিজেও, যার মাধ্যমে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে তাঁর শেষবারের
মতো মাঠে নামার এক প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত মিলেছে।
‘নের্ড সোউল এআই’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ওই ভিডিওটিতে কল্পনার এক
সম্পূর্ণ ভিন্ন জগৎ তুলে ধরা হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য ২০৩০ বিশ্বকাপে শেষবারের মতো
মাঠে নামার সিদ্ধান্তে নেইমারকে রাজি করানো। সেখানে দেখা যায়, বিভিন্ন বয়সের নেইমার
নিজেরই আরেক সংস্করণের মুখোমুখি হয়েছেন। ভিডিওটির একটি অংশে সান্তোসের জার্সি
পরিহিত ছোট্ট এক নেইমারের সামনে হাজির হন ভবিষ্যতের নেইমার, যিনি নিজেকে ‘ভবিষ্যতের
তুমি’ হিসেবে পরিচয় দেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে শিশু নেইমার অত্যন্ত কৌতূহল নিয়ে
জানতে চায় যে, ঠিক কত বছর বয়সে তারা প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল।
শিশু নেইমারের এমন প্রশ্নের জবাবে আবেগঘন কণ্ঠে ভবিষ্যতের প্রাপ্তবয়স্ক নেইমার
উত্তর দেন যে, তারা আসলে বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। তিনি জানান, নিজের সবকিছু উজাড়
করে দিয়ে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করার পরও একা তাঁর পক্ষে এই সাফল্য অর্জন করা
কখনোই সম্ভব ছিল না। এরপর তিনি শিশু নেইমারের সাহায্য চেয়ে জানতে চান, সে চায় কি না
যে তিনি শেষবারের মতো আরেকবার বিশ্বকাপ জয়ের চেষ্টা করুন। ভিডিওটির শেষভাগে
নেইমারের আরও একটি বয়স্ক সংস্করণ হাজির হয়, যাঁর হাতে ‘২০৩০’ খোদাই করা একটি
বিশ্বকাপ ট্রফি দেখা যায় এবং শিশু নেইমার শেষবারের মতো আরেকবার বিশ্বকাপ জয়ের
চেষ্টা করার জন্য সম্মতি দেয়।
আবেগঘন এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর পরই তাতে প্রতিক্রিয়া জানান
খোদ নেইমার। ইনস্টাগ্রামে তিনি ভালোবাসা ও আবেগ প্রকাশের তিনটি ইমোজি দিয়ে মন্তব্য
করেন, যা মুহূর্তেই ভক্তদের মাঝে উন্মাদনা ও জল্পনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
ইন্টারনেটে প্রকাশের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ভিডিওটি ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি ভিউ পেয়ে
ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এর পাশাপাশি ভিডিওটিতে প্রায় ৩৭ লাখ রিয়্যাকশন, ১ লাখ ৯০
হাজারের বেশি মন্তব্য এবং ১০ লাখেরও বেশি শেয়ার জমা পড়ে, যা নেইমারের বিশ্বকাপ জয়ের
স্বপ্ন নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের প্রবল আগ্রহেরই প্রমাণ দেয়।











