কানসাস সিটির মাঠে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হলেও অতিরিক্ত সময়ের জাদুকরী পারফরম্যান্সে জয় নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আগামী ১৬ জুলাই আটলান্টা স্টেডিয়ামে শেষ চারের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করা আর্জেন্টিনা দশম মিনিটেই লিড
কানসাস সিটির মাঠে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের
সেমিফাইনালে পৌঁছেছে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ সমতায়
শেষ হলেও অতিরিক্ত সময়ের জাদুকরী পারফরম্যান্সে জয় নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির
শিষ্যরা। আগামী ১৬ জুলাই আটলান্টা স্টেডিয়ামে শেষ চারের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে
ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করা আর্জেন্টিনা দশম মিনিটেই লিড পায়। নবম
মিনিটে লিওনেল মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার থেকে অনেক দূর লাফিয়ে উঠে হেডে লক্ষ্যভেদ
করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। সুইস রক্ষণভাগের দীর্ঘকায় খেলোয়াড় ম্যানুয়েল
আকানজি ও গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ায়। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে
থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া সুইজারল্যান্ড
দ্বিতীয় অর্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় এবং ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায়। এনদোয়ে বাঁ প্রান্ত
দিয়ে সতীর্থ রদ্রিগেজের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে বক্সে ঢোকেন এবং কোণাকুনি শটে
আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করেন।
তবে সমতায় ফেরার পাঁচ মিনিট পরই বড় ধাক্কা খায় সুইসরা। ৭২ মিনিটে ফরোয়ার্ড এম্বোলো
ডি-বক্সের ভেতরে ফাউলের অভিনয় বা ‘ডাইভিং’ করার দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ
ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। এরপর গোল পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে একের পর
এক আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে মেসির কিছু জাদুকরী শট ও
কর্নার থেকে ভালো সুযোগ তৈরি হলেও কোবেলের দৃঢ়তায় গোল পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে খেলা
গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও স্কোরবোর্ডে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
অবশেষে ১১২ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেসের এক অবিশ্বাস্য গোল আর্জেন্টিনাকে আবারও এগিয়ে
দেয়। বক্সের বেশ দূর থেকে তাঁর নেওয়া বাঁকানো শটটি সরাসরি জালের কোণায় আশ্রয় নেয়।
অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তে সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে ফেরার শেষ আশাও
ধূলিসাৎ হয়ে যায়। কাউন্টার-অ্যাটাক থেকে থিয়াগো আলমাদার শট কোবেল প্রতিহত করলে
ফিরতি বলে ফাঁকা পোস্টে গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এই গোলের মাধ্যমে ৩-১ ব্যবধানে
জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। কানসাস সিটির গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো ভক্ত লিওনেল
মেসিদের এই প্রত্যাবর্তনে মেতে ওঠেন বাঁধভাঙা উল্লাসে।











