উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তিকে গুণগত ও পরিমাণগত—উভয় দিক থেকেই আরও শক্তিশালী করার এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তিকে গুণগত ও পরিমাণগত—উভয় দিক থেকেই আরও
শক্তিশালী করার এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে দেশটির সামরিক
বাহিনীকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা
কিম জং উন। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো
হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয়
সামরিক কমিশনের একটি সম্প্রসারিত বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়।
বৈঠকে কিম জং উন স্পষ্ট করে বলেন যে, একটি অজেয় ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে
তোলাই উত্তর কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদী ‘প্রকৃত শান্তি’ নিশ্চিত করার
একমাত্র পথ। তার মতে, একটি আধুনিক ও শক্তিশালী সেনাবাহিনীই দেশের বিরুদ্ধে আসা
যেকোনো বহিঃশত্রুর হুমকি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।
বৈঠকে দেশের যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়াতে সামরিক প্রযুক্তিগত অবকাঠামো আধুনিকায়ন করার একটি
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্রাগার
সম্প্রসারণ এবং দেশের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে মানসম্মত, বিশেষায়িত ও আধুনিক রূপে গড়ে
তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘রিকনাইস্যান্স জেনারেল
ব্যুরো’-র ক্ষমতা ও কর্মপরিধি আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও আলোচনা হয়, যাতে গোয়েন্দা
তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
কেসিএনএ আরও জানিয়েছে যে, বৈঠকে অত্যাধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণ এবং জাহাজ নির্মাণ
কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ উত্তর
কোরিয়ার নৌবাহিনীর মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের কৌশলগত ভূমিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে
বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত সামরিক ক্ষেত্রে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতেই পিয়ংইয়ং
এই নতুন রণকৌশল গ্রহণ করেছে।











