ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি কমে ২.৮ শতাংশ, স্বস্তিতে বাজার

ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি কমে ২.৮ শতাংশ, স্বস্তিতে বাজার

ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতি জুনে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কমে ২ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা নীতিপ্রণেতা ও বিনিয়োগকারীদের মনে কিছুটা স্বস্তির সঞ্চার করেছে। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ইসিবি) প্রচেষ্টার প্রতিফলন এই পতন। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং বিশ্লেষকদের ৩ শতাংশের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে জুনে

ইউরোজোনের মূল্যস্ফীতি জুনে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কমে ২ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে

এসেছে, যা নীতিপ্রণেতা ও বিনিয়োগকারীদের মনে কিছুটা স্বস্তির সঞ্চার করেছে।

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

(ইসিবি) প্রচেষ্টার প্রতিফলন এই পতন। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী,

মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং বিশ্লেষকদের ৩ শতাংশের

পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে জুনে তা আরও নিম্নমুখী হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্যে দেখা গেছে,

মূল্যস্ফীতি কমলেও এটি টানা চতুর্থ মাসের মতো ইসিবির নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ওপরে

অবস্থান করছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইসিবি গত মাসে সুদহার দশমিক ২৫

শতাংশ বাড়িয়ে ২ দশমিক ২৫ শতাংশে উন্নীত করেছিল।

মূল্যস্ফীতি হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে

আসাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার চুক্তির ফলে জ্বালানি

তেলের দাম যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে এসেছে। জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের ওঠানামা বাদ দিয়ে

হিসাব করা মূল মূল্যস্ফীতি বা কোর ইনফ্লেশন জুনে কমে ২ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে,

যা মে মাসে ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ। এছাড়া সেবা খাতের মূল্যস্ফীতিও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ

থেকে কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নেমে এসেছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কমে আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও ইসিবি

প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্দে সতর্কতার সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বর্তমান সংকট

মোকাবিলায় আগের বছরগুলোর মতো কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন না-ও হতে পারে। সিনত্রায়

ইসিবির বার্ষিক ফোরামে তিনি জানান, আগের জ্বালানি সংকটের মতো এবার একই শক্তিতে

ব্যবস্থা নেওয়ার প্রেক্ষাপট নেই। তবে কমার্সব্যাংকের অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে

বলেছেন যে, ব্যবসায়ীরা জ্বালানির বাড়তি খরচ ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দিলে বছরের বাকি

সময়ে মূল্যস্ফীতি পুনরায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এমনটা ঘটলে আগামী

সেপ্টেম্বরে সুদহার আরও এক দফা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হতে পারে বলে বাজার

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ইসিবির পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর দিকে এখন তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos