গত জুন মাসে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে লর্ডসের মাঠে কেন্টের হয়ে দুর্দান্ত অভিষেকের পর, এবার ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নিজের জাত চেনানোর বড় সুযোগ পেলেন বাংলাদেশের ডানহাতি গতি তারকা হাসান মাহমুদ। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট’-এ নাম লিখিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ তিনটি অতি-গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য কেন্ট স্পিটফায়ার্স তাদের স্কোয়াডে এই টাইগার
গত জুন মাসে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে লর্ডসের মাঠে কেন্টের
হয়ে দুর্দান্ত অভিষেকের পর, এবার ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নিজের
জাত চেনানোর বড় সুযোগ পেলেন বাংলাদেশের ডানহাতি গতি তারকা হাসান মাহমুদ।
ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি
ব্লাস্ট’-এ নাম লিখিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের শেষ তিনটি
অতি-গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য কেন্ট স্পিটফায়ার্স তাদের স্কোয়াডে এই টাইগার
পেসারকে দলে নেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
এর মাধ্যমে কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি পেসার হিসেবে
ভাইটালিটি ব্লাস্টে খেলার এক অনন্য গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন হাসান মাহমুদ। এর আগে
২০১৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে সাসেক্সের জার্সি গায়ে এই টুর্নামেন্টে মাঠ
মাতিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। তবে কেন্ট স্পিটফায়ার্সের সুদীর্ঘ ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম
বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব
করবেন হাসান।
ইংল্যান্ডের এই জমজমাট ও গতিময় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়ে নিজের
দারুণ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন হাসান মাহমুদ। কেন্ট ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে
প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই টাইগার স্পিডস্টার জানান, কেন্টের হয়ে প্রথম শ্রেণির
ক্রিকেটের সময়টা তিনি ভীষণ উপভোগ করেছিলেন এবং দলের প্রয়োজনে আবারও লাল-সবুজ
জার্সির বাইরে ইংল্যান্ডে ফিরতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
হাসান মাহমুদ তাঁর বিবৃতিতে বলেন, ‘কাউন্টিতে কেন্টের সাথে কাটানো সময়টা আমার
ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা ছিল। তাই ভাইটালিটি ব্লাস্টের মতো টুর্নামেন্টে
আবারও কেন্টের হয়ে অবদান রাখার সুযোগ যখন আমার সামনে এলো, তখন এক মুহূর্তের জন্যও
আমি দ্বিধা করিনি। আমাদের সামনে থাকা এই তিনটি ম্যাচ কেন্টের জন্য অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। কেন্টকে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে তুলতে আমি বল হাতে নিজের
সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আমার দক্ষতার ওপর পুনরায় আস্থা রাখার জন্য আমি কেন্ট
ম্যানেজমেন্টকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
জাতীয় দলের এই পেসার আরও যোগ করেন, ‘ভাইটালিটি ব্লাস্ট বিশ্বের অন্যতম সেরা ও
প্রতিযোগিতাপূর্ণ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। এখানে বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটারদের
বিপক্ষে নিজেকে প্রমাণ করার এটি আমার জন্য একটি মস্ত বড় সুযোগ। আমি মনে করি, এই
অভিজ্ঞতাটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের হয়ে আবারও সাদা বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
(টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে) শক্তিশালীভাবে ফেরার ক্ষেত্রে আমাকে অনেকখানি এগিয়ে দেবে।’
হাসান মাহমুদের এই নতুন মিশন ইংলিশ কন্ডিশনে তাঁর বোলিং বৈচিত্র্য ও কার্যকারিতা
আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করছেন দেশের ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।







