মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা সমীচীন হবে না : রিজভী

মুদি দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনা সমীচীন হবে না : রিজভী

ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় অত্যন্ত সীমিত, তাই তাদের এই করের আওতায় আনা সমীচীন হবে না।

ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসায়ীদের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবের তীব্র

বিরোধিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব

রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয়

কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় অত্যন্ত

সীমিত, তাই তাদের এই করের আওতায় আনা সমীচীন হবে না। এর পরিবর্তে যারা কর দেওয়ার

প্রকৃত সক্ষমতা রাখা সত্ত্বেও করজালের বাইরে রয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনার ওপর

তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বর্তমান সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ উল্লেখ করে রিজভী জানান, সাধারণ মানুষের

সুখ-দুঃখ ও প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রীয় সকল নীতি নির্ধারিত হবে। তিনি দাবি

করেন, অতীতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন কখনোই জনস্বার্থবিরোধী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ

করেনি। রাজনৈতিক নানা ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও দলের জনপ্রিয়তা ও

সাংগঠনিক ভিত্তি অটুট রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী

মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে সরকারকে আরও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান

তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রিজভী প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ

প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামাঙ্কিত একটি সড়কের নাম পরিবর্তনের

ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই পদক্ষেপকে ‘রুচিবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন,

উপমহাদেশের একজন প্রথিতযশা নেতার প্রতি এমন আচরণ কাম্য নয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে

বলেন, এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি। বিপরীতে

বাংলাদেশ ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বহাল রেখে রাজনৈতিক

শিষ্টাচারের পরিচয় দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর চলমান চীন সফর নিয়ে উচ্চাশা ব্যক্ত করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৮

বিলিয়ন ডলারের বিশাল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক

রহমানের এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিশেষ করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি

বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগ বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ

করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ সৌরশক্তি থেকে উৎপাদনের

লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে কর-সুবিধা প্রদানের বিষয়টিকে তিনি

সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন প্রসঙ্গে রিজভী মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে দেশ একমুখী

নীতির পরিবর্তে একটি শক্তিশালী বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। তিনি বলেন, শহীদ

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্বাধীন ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিপ্রস্তর

স্থাপন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এই

কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করবে বলে তিনি আশাবাদ

ব্যক্ত করেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos