ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে একটি রেজল্যুশন পাস হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি এই রেজল্যুশনটিকে ‘নিরর্থক’ এবং ‘দেশপ্রেমহীন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। বিশেষ করে নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির যে চারজন সদস্য এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন
ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাধ্য করতে
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে একটি রেজল্যুশন পাস
হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি এই
রেজল্যুশনটিকে ‘নিরর্থক’ এবং ‘দেশপ্রেমহীন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। বিশেষ করে নিজ দল
রিপাবলিকান পার্টির যে চারজন সদস্য এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, তাদের কঠোর
সমালোচনা করেছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন,
“গতকাল হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে একটি নিরর্থক রেজল্যুশন পাস হয়েছে। ৪ জন বাজে
রিপাবলিকান এমপিও তাতে ভোট দিয়েছেন। এমন এক সময়ে আমার যুদ্ধ সংক্রান্ত ক্ষমতা সীমিত
করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যখন আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধাবসান সংক্রান্ত আলোচনার
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি।” ডেমোক্রেটিক পার্টির উত্থাপিত এই বিলে বলা হয়েছে যে,
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাদের অবস্থান অব্যাহত রাখতে হলে ট্রাম্প
প্রশাসনকে অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদনের আগ পর্যন্ত সেনাদের
প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই বিলে। ভোটাভুটিতে বিলটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস
হয়।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য গ্রেগরি মিকস এ প্রসঙ্গে রয়টার্সকে জানান,
মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে কোনো যুদ্ধ
ঘোষণা করতে পারেন না। কিন্তু ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প কংগ্রেসের সাথে কোনো
আলোচনা করেননি। এর প্রতিবাদে ট্রাম্প তার পোস্টে ডেমোক্র্যাটদের ‘ট্রাম্প-বিদ্বেষী’
হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তারা দেশের সফলতার চেয়ে ব্যর্থতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, রিপাবলিকান পার্টির ওই চার সদস্য লোক দেখানো কাজ করছেন এবং তাদের
লজ্জিত হওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন
এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। ৪০ দিনের যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল ট্রাম্প
যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। যদিও দুই মাস পার হয়ে গেলেও স্থায়ী শান্তি চুক্তির বিষয়ে
এখনও কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তবে বর্তমানে পাস হওয়া এই রেজল্যুশনটি এখনই
কার্যকর হচ্ছে না। এটি এখন উচ্চকক্ষ সিনেটে যাবে এবং সেখানে ভোটাভুটির পর চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।











