ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার আলোচিত রিক্তা আক্তার হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি জুয়েল মীর এবং ৪ নম্বর আসামি রীবা বেগম। র্যাব-৬ প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে জানায়, নিয়মিত অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬, সদর কোম্পানির (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প) একটি দল গতকাল সোমবার রাতে গোপালগঞ্জের
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার আলোচিত রিক্তা আক্তার হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর
আসামি জুয়েল মীর এবং ৪ নম্বর আসামি রীবা বেগম।
র্যাব-৬ প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে জানায়, নিয়মিত অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬, সদর কোম্পানির (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প) একটি দল গতকাল
সোমবার রাতে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কাশিয়ানী বাজার ও ভাট্রাইধোবা এলাকায়
পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে কাশিয়ানী বাজার এলাকা
থেকে জুয়েল মীর (২৮) এবং রাত ১টা ৫০ মিনিটে ভাট্রাইধোবা এলাকা থেকে রীবা বেগমকে
(৪৭) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জুয়েল মীর ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বাসিন্দা জালাল মীরের ছেলে
এবং রীবা বেগম জালাল মীরের স্ত্রী। তারা উভয়েই ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার
বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জুয়েল মীর ভিকটিম রিক্তা আক্তারের স্বামী এবং রীবা
বেগম তার শাশুড়ি। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে রিক্তা আক্তারের ওপর স্বামী ও
শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন বলে অভিযোগ
রয়েছে। একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন নির্যাতন সহ্য করেও
সংসার করে আসছিলেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রিক্তা আক্তার
অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় তার বোন জামাই হাফেজ আকরাম মাতব্বর বাদী
হয়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানায় জুয়েল মীর, রীবা বেগমসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে
হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে
তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের
সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।











