আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডধারী হায়দরাবাদ ‘সর্বনিম্ন’ রানে অলআউট

আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডধারী হায়দরাবাদ ‘সর্বনিম্ন’ রানে অলআউট

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় রানের তালিকায় প্রথম চারটি বড় ইনিংসের মালিক সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবার এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের সাক্ষী হলো। গত দুই বছর ধরে আইপিএলে ২৮৭ রানের সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ডটি নিজেদের দখলে রাখা দলটি এবার মাঠ ছাড়ল নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন রান নিয়ে। আহমেদাবাদে গুজরাট টাইটান্সের মুখোমুখি হয়ে হায়দরাবাদ মাত্র ৮৬ রানে অলআউট হয়েছে,

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় রানের তালিকায় প্রথম

চারটি বড় ইনিংসের মালিক সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবার এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের

সাক্ষী হলো। গত দুই বছর ধরে আইপিএলে ২৮৭ রানের সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ডটি নিজেদের

দখলে রাখা দলটি এবার মাঠ ছাড়ল নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন রান নিয়ে। আহমেদাবাদে

গুজরাট টাইটান্সের মুখোমুখি হয়ে হায়দরাবাদ মাত্র ৮৬ রানে অলআউট হয়েছে, যার ফলে ৮২

রানের বড় ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে প্যাট কামিন্সের দলকে। হায়দরাবাদের মতো বিধ্বংসী

ব্যাটিং লাইনআপের এমন হুড়মুড় করে ভেঙে পড়া দর্শকদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গতকাল মঙ্গলবার টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে

শুভমান গিলের নেতৃত্বাধীন গুজরাট টাইটান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা ৫ উইকেটে ১৬৮

রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়। রান তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদের ইনিংসের শুরু

থেকেই বিপর্যয়ের আভাস পাওয়া যায়। দলের অন্যতম প্রধান ব্যাটিং স্তম্ভ ট্রাভিস হেড

কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে অন্য ব্যাটাররাও ফিরে গেলে

মাত্র ১৪.৫ ওভারেই অলআউট হয় হায়দরাবাদ। আট নম্বরে নামা অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের করা

১৯ রানই ছিল দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।

হায়দরাবাদের জন্য এই পরাজয়টি ছিল দ্বিমুখী লজ্জার রেকর্ড। এর আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির

সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ছিল ২০১৯ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে করা ৯৬ রান।

দীর্ঘ সাত বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে তারা প্রথমবারের মতো একশর নিচে (৮৬) গুটিয়ে গেল।

একই সাথে ৮২ রানের এই হারটি হায়দরাবাদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবধানে হারের রেকর্ডও

বটে। এর আগে তাদের হারের সর্বোচ্চ ব্যবধান ছিল ৮০ রান, যা গত বছর কলকাতা নাইট

রাইডার্সের বিপক্ষে হয়েছিল। বিপরীতে গুজরাট টাইটান্স তাদের আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ

৮২ রানের ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড উদযাপন করেছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে গুজরাটের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা অবশ্য সহজ ছিল না। দলীয় ২৬

রানের মধ্যে অধিনায়ক শুভমান গিল ও অভিজ্ঞ জস বাটলারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল

স্বাগতিকরা। তবে সাই সুদর্শনের ৬১ এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের ৫০ রানের দায়িত্বশীল দুটি

ইনিংস গুজরাটকে একটি লড়াকু পুঁজি এনে দেয়। হায়দরাবাদের বোলারদের মধ্যে প্রফুল হিঞ্জ

ও সাকিব হুসেইন দুটি করে উইকেট শিকার করেন। গুজরাট অধিনায়ক গিল পরে জানান,

আহমেদাবাদের এই পিচে রান করা কিছুটা কঠিন ছিল, যা হায়দরাবাদের ব্যাটারদের ব্যর্থতায়

আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

গুজরাটের এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন তাদের বোলাররা। কাগিসো রাবাদা ও জেসন হোল্ডার

প্রত্যেকে ৩টি করে উইকেট শিকার করে হায়দরাবাদের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

ট্রাভিস হেড, অভিষেক শর্মা ও হেনরিক ক্লাসেনদের নিয়ে গড়া যে ব্যাটিং লাইনআপটি গত

কয়েক আসরে বোলারদের ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তাদের এমন অসহায় আত্মসমর্পণ

টুর্নামেন্টের সমীকরণে বড় চমক হয়ে এসেছে। এই জয়ের মাধ্যমে গুজরাট যেমন নিজেদের জয়ের

ধারা সুসংহত করল, তেমনি হায়দরাবাদকে তাদের আক্রমণাত্মক রণকৌশল নিয়ে পুনরায় ভাবার

অবকাশ তৈরি করে দিল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos