যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে মিসাইল ছুড়ল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজে মিসাইল ছুড়ল ইরান

সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়েছে ইরান। সোমবার (৪ মে) ইরানের জাস্ক দ্বীপের অদূরে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে সামরিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি

সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা

করায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে মিসাইল ছুড়েছে ইরান। সোমবার (৪

মে) ইরানের জাস্ক দ্বীপের অদূরে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয়

বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে

সামরিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন

যুদ্ধজাহাজটি জাস্ক দ্বীপের পাশ দিয়ে হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং হামলার

পর জাহাজটি দ্রুত তার গতিপথ পরিবর্তন করে এলাকা ত্যাগ করে।

এই হামলার দাবি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে মিসাইল ছোড়ার কথা জোরালোভাবে প্রচার করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের একজন

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া

এক বিবৃতিতে ওই কর্মকর্তা জানান, মার্কিন কোনো যুদ্ধজাহাজে হামলার এমন কোনো ঘটনা

ঘটেনি। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে প্রচারণার অংশ হিসেবে ইঙ্গিত করা হলেও তেহরান

তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

এই ঘটনার নেপথ্যে গত কয়েক দিনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হুঁশিয়ারি কাজ করছে বলে মনে

করা হচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, হরমুজ

প্রণালিতে দীর্ঘসময় ধরে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনীর বিশেষ

নিরাপত্তায় বের করে নিয়ে আসা হবে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই ইরান কড়া হুঁশিয়ারি

দিয়ে জানায়, তাদের জলসীমায় বা হরমুজ প্রণালিতে অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে

সেটিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সোমবারের এই ঘটনাকে সেই হুঁশিয়ারিরই বাস্তব

প্রতিফলন হিসেবে দেখছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো।

উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর গত ৮

এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। তবে শুরু থেকেই এই সমঝোতাটি অত্যন্ত নড়বড়ে

বা ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের

বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে এবং আরব সাগর থেকে একটি ইরানি তেলের ট্যাঙ্কার

জব্দ করে, যা তেহরানকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। উদ্ভূত সংকট নিরসনে গত ১২ এপ্রিল

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশ শান্তি আলোচনায় বসলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত

চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় তারা। বর্তমান এই সামরিক তৎপরতা ওই অঞ্চলের শান্তি

প্রক্রিয়াকে আরও অনিশ্চিত করে তুলল।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos