চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে চাচাতো ভাই আবু বকর সিদ্দিককে (৩৫) বসত বাড়ির সিঁড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে চাচাতো ভাই ইয়াসিন আরাফাত সুজন ও তার শ্যালক রাহাতের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাহাতকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। নিহত সিদ্দিক উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খোয়াজপুর গ্রামের চাপরাশি বাড়ির মৃত হাজি আমিন উল্লাহর ছেলে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে চাচাতো ভাই আবু বকর সিদ্দিককে (৩৫) বসত বাড়ির সিঁড়ি থেকে তুলে

নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে চাচাতো ভাই ইয়াসিন আরাফাত সুজন ও তার

শ্যালক রাহাতের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাহাতকে গ্রেপ্তার করেছে

র‍্যাব।

নিহত সিদ্দিক উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খোয়াজপুর গ্রামের চাপরাশি

বাড়ির মৃত হাজি আমিন উল্লাহর ছেলে।

শুক্রবার (১ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি

কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর মহানগরীর হাজিরহাট

থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গংগাহারী এলাকা থেকে মামলার দ্বিতীয় আসামি মো. রাহাত

(২২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একই এলাকার চিত্তনী বাড়ির মো. সোলোমানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিদ্দিক ঢাকার গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় বড় ভাইয়ের

খাবারের দোকানে কাজ করতেন। কিছুদিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। গত ২১ এপ্রিল দিবাগত রাত

সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বসত ঘরের সিঁড়িতে বসে মোবাইল দেখছিল রাহাত। ওই সময় পূর্ব

শক্রতা ও ওমান প্রবাসী সুজনের স্ত্রী নিয়ে বিরোধের জেরে সুজন ও তার শ্যালক রাহাতসহ

৪-৫ জনের একটি দল সিঁড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে

নিয়ে গিয়ে মুখে গামছা পেঁচিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

পরে তাকে মৃত ভেবে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি

হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন

অবস্থায় ২৫ এপ্রিল দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে ২৭ এপ্রিল সুজন ও রাহাতের নাম উল্লেখ

করে এবং অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি হানিফ

চৌধুরীর ছেলে ইয়াসিন আরাফাত সুজন (৩৫) সিদ্দিকের মৃত্যুর পরপরই বিদেশে পালিয়ে গেছেন

বলে জানা গেছে।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ কোম্পানির কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর আরও

বলেন, আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রংপুর মহানগরীরর কোতয়ালি

থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos