ফিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্রীড়া আদালতে ফিলিস্তিনের আপিল

ফিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্রীড়া আদালতে ফিলিস্তিনের আপিল

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত ইসরায়েলি ফুটবল ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ফিফার অনীহার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের (সিএএস) দ্বারস্থ হয়েছে প্যালেস্টিনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ)। ফিফার সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য’ আখ্যা দিয়ে পিএফএ গত ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই আপিল দায়ের করেছে। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি ক্লাবগুলোর অবৈধ অবস্থানের বিরুদ্ধে দাবি জানিয়ে আসলেও ফিফা কোনো

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত ইসরায়েলি ফুটবল ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে

ব্যবস্থা নিতে ফিফার অনীহার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের (সিএএস) দ্বারস্থ

হয়েছে প্যালেস্টিনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ)। ফিফার সাম্প্রতিক এই

সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য’ আখ্যা দিয়ে পিএফএ গত ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই আপিল

দায়ের করেছে। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি ক্লাবগুলোর অবৈধ অবস্থানের বিরুদ্ধে

দাবি জানিয়ে আসলেও ফিফা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ফিলিস্তিন এই চূড়ান্ত আইনি

পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন বসতিতে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি

ইসরায়েলি ক্লাব নিয়মিতভাবে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএ) লিগে অংশ নিয়ে

আসছে। এই ক্লাবগুলোর কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার জন্য পিএফএ বারবার ফিফার কাছে আবেদন

করে আসছিল। তবে গত মাসে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায় যে, পশ্চিম তীরের আইনি অবস্থা

আন্তর্জাতিকভাবে এখনো অমীমাংসিত থাকায় তারা আইএফএ বা সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে

কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না। ফিফার এই নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করতেই মূলত

ক্রীড়া আদালতে গিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

ভ্যাঙ্কুভারে আয়োজিত এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) কংগ্রেস শেষে পিএফএ-র

সহ-সভাপতি সুসান শালাবি এই আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফিফায় সকল

ধরনের আইনি পথ অবলম্বনের পরও ন্যায়বিচার না পাওয়ায় তারা এখন আন্তর্জাতিক আদালতের

শরণাপন্ন হয়েছেন। শালাবি উল্লেখ করেন, ফিফা পরিষদ দীর্ঘ ১৫ বছর আলোচনার পরও বিষয়টি

এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ফিলিস্তিনি ফুটবলের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ়

সংকল্প ব্যক্ত করেন।

ফিলিস্তিনি ফুটবলের বর্তমান শোচনীয় চিত্র তুলে ধরে সুসান শালাবি আরও জানান যে,

গাজার অধিকাংশ ফুটবল অবকাঠামো বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং সেখানে ফুটবল

খেলার আর কোনো পরিবেশ নেই। চলমান সংঘাতের ফলে শত শত ফুটবলার প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের

বড় একটি অংশ ছিল শিশু ও কিশোর। পেশাদার লিগগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং মাঠের

পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় ফিলিস্তিনি ফুটবল এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এমন

মানবিক ও অবকাঠামোগত বিপর্যয়ের মাঝেও আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছ থেকে প্রয়োজনীয়

আইনি সমর্থন না পাওয়াকে তারা চরম পক্ষপাতমূলক বলে মনে করছেন।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos