বাবরের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে পিএসএলের ফাইনালে পেশোয়ার জালমি

বাবরের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরিতে পিএসএলের ফাইনালে পেশোয়ার জালমি

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ৭০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পেশোয়ার জালমি। মঙ্গলবার রাতে করাচিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করায় পেশোয়ার। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ৭০

রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পেশোয়ার জালমি। মঙ্গলবার রাতে

করাচিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দলের জয়ের নায়ক ছিলেন অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর অনবদ্য

সেঞ্চুরির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ

দাঁড় করায় পেশোয়ার। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫১ রানেই থেমে যায় ইসলামাবাদের

ইনিংস, যার ফলে শিরোপার লড়াইয়ে সরাসরি চূড়ান্ত মঞ্চে পৌঁছে গেল বাবর আজমের দল।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পেশোয়ারকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার বাবর আজম ও

মোহাম্মদ হারিস। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকা বাবর মাত্র ৫৯ বলে ১০৩ রানের

এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যা সাজানো ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কায়। দ্বিতীয় উইকেটে

কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে তাঁর কার্যকর জুটি এবং শেষ দিকে অ্যারন হার্ডির ঝোড়ো ব্যাটিং

পেশোয়ারকে দুইশ পার করতে সাহায্য করে। মেন্ডিস ৪১ ও হারিস ৩৫ রান করে দলের বড়

সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে বাবর আজম পিএসএলের ইতিহাসে ব্যক্তিগত চতুর্থ শতক পূর্ণ করে

উসমান খানের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। এখন তাঁরা দুজনেই যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের

সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সামগ্রিক ইতিহাসে ক্রিস

গেইলের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শতকধারী ব্যাটার হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করলেন

বাবর। বর্তমানে বাবর আজমের মোট সেঞ্চুরির সংখ্যা ১৩টি, যেখানে ২২টি সেঞ্চুরি নিয়ে

সবার ওপরে আছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ক্রিস গেইল।

২২২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায়

ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। বড় রান রেটের চাপে পড়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে

পড়ে শাদাব খানের দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন সামির মিনহাস। এছাড়া অধিনায়ক

শাদাব খান ২৫ এবং ইমাদ ওয়াসিম ২২ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। পেশোয়ারের

বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের মুখে ইসলামাবাদের ইনিংস ১৮.৩ ওভারেই

গুটিয়ে যায়।

এই জয়ের মাধ্যমে পেশোয়ার জালমি টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করল।

অন্যদিকে, হেরে গেলেও ইসলামাবাদের সামনে এখনো ফাইনালে ওঠার আরও একটি সুযোগ থাকছে

এলিমিনেটর ম্যাচে। বাবরের সাম্প্রতিক ফর্ম এবং দলের সম্মিলিত এই দাপুটে

পারফরম্যান্স ফাইনালের আগে পেশোয়ারকে মানসিকভাবে অনেকটা এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন

ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাবরের এই

দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভক্তদের মাঝে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos