১ রানের সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

১ রানের সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

আইপিএলের ইতিহাসে এক অভাবনীয় ও রেকর্ডব্রেকিং মুহূর্তের সাক্ষী হলো ক্রিকেটবিশ্ব। লখনউ সুপার জায়ান্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের মধ্যকার ম্যাচে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের সুপার ওভার সম্পন্ন হয়েছে। মাত্র ১ রানের এই সুপার ওভারে লখনউকে হারিয়ে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে কলকাতা। ১২ বছর আগে ২০১৪ সালে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম সুপার ওভারে সুনীল

আইপিএলের ইতিহাসে এক অভাবনীয় ও রেকর্ডব্রেকিং মুহূর্তের সাক্ষী হলো ক্রিকেটবিশ্ব।

লখনউ সুপার জায়ান্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের মধ্যকার ম্যাচে টুর্নামেন্টের

ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের সুপার ওভার সম্পন্ন হয়েছে। মাত্র ১ রানের এই সুপার ওভারে

লখনউকে হারিয়ে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে কলকাতা। ১২ বছর আগে ২০১৪ সালে ক্যারিবীয়

প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম সুপার ওভারে সুনীল নারিন ও

নিকোলাস পুরানের মুখোমুখি হওয়ার যে স্মৃতি ছিল, আইপিএলের মঞ্চেও সেই ইতিহাসের

পুনরাবৃত্তি ঘটল।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা লখনউয়ের হয়ে ক্রিজে ছিলেন নিকোলাস পুরান ও

এইডেন মার্করাম। কলকাতার হয়ে বল হাতে নেন অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন। ওভারের প্রথম

বলেই পুরানকে বোল্ড করে লখনউকে বড় ধাক্কা দেন নারিন। দ্বিতীয় বলে রিশাভ পান্ত এক

রান নিলেও তৃতীয় বলে মার্করাম ক্যাচ আউট হলে মাত্র ১ রানেই শেষ হয় লখনউয়ের ইনিংস।

জয়ের জন্য ২ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে রিংকু সিং প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে

কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন। আইপিএলে এর আগে এত কম রানের সুপার ওভার আর কখনো দেখা

যায়নি।

এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারের লড়াইয়েও ছিল টানটান উত্তেজনা। কলকাতার দেওয়া ১৫৬ রানের

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একপর্যায়ে বড় চাপে পড়েছিল লখনউ। শেষ ৫ ওভারে তাদের জয়ের জন্য

প্রয়োজন ছিল ৬৪ রান। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মদ সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিং লখনউকে ম্যাচে ফিরিয়ে

আনে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় ১৭ রান। নাটুকে সেই ওভারে দুটি নো বল এবং

একটি বাউন্ডারির পর শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৭ রান। এমন সমীকরণে বোলার ত্যাগীর ফুল

ডেলিভারিকে লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে ম্যাচ টাই করেন মোহাম্মদ শামি, যার ফলে খেলা গড়ায়

সুপার ওভারে।

ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান

সংগ্রহ করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দলের হয়ে ৫১ বলে সর্বোচ্চ ৮৩ রানের এক অনবদ্য

ইনিংস খেলেন রিংকু সিং। অন্যদিকে লখনউয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান আসে রিশাভ পান্তের

ব্যাট থেকে। এই শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানি থেকে অষ্টম

স্থানে উঠে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। অন্যদিকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের একদম

শেষ অবস্থানে অবস্থান করছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। মূলত নারিনের জাদুকরী বোলিং এবং

রিংকু সিংয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্যেই এই ঐতিহাসিক জয় পেল কলকাতা।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos