২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়ানোর ঘোষণা ফিফার

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়ানোর ঘোষণা ফিফার

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ও অংশগ্রহণ ফি বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। চলতি সপ্তাহে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠেয় ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই বর্ধিত তহবিলের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। মূলত বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর পক্ষ থেকে আসা আর্থিক উদ্বেগের কথা মাথায় রেখেই ফিফা তাদের পূর্বনির্ধারিত বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ও অংশগ্রহণ ফি বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব

ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। চলতি সপ্তাহে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে

অনুষ্ঠেয় ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই বর্ধিত তহবিলের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে বলে

জানা গেছে। মূলত বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর পক্ষ থেকে আসা আর্থিক

উদ্বেগের কথা মাথায় রেখেই ফিফা তাদের পূর্বনির্ধারিত বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ

করেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফিফাকে জানিয়েছিল যে, আসন্ন বিশ্বকাপে বিশেষ

করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ ভ্রমণ ব্যয়, দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্রম এবং কর সংক্রান্ত

জটিলতার কারণে দলগুলো আর্থিকভাবে লোকসানের মুখে পড়তে পারে। তাদের দাবি ছিল,

টুর্নামেন্টে ভালো ফল করা সত্ত্বেও উচ্চ ব্যয়ের কারণে অনেক দেশের ফুটবল ফেডারেশন

ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। এই বাস্তবসম্মত উদ্বেগের প্রেক্ষিতেই ফিফা

প্রাইজমানির অংক বাড়িয়ে দলগুলোকে আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য মোট ৭২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের একটি

বিশাল প্রাইজমানি ঘোষণা করেছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া

৪৮টি দলের প্রত্যেকের জন্য ন্যূনতম ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ৫

কোটি ডলার পুরস্কার নির্ধারিত ছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাইজমানির এই

সামগ্রিক অংক আরও বাড়বে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আর্থিক পুরস্কারের নতুন

রেকর্ড তৈরি করবে।

ফিফার একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ২৮ এপ্রিল ভ্যাঙ্কুভারে

ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকের আগে তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে

রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়ে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রস্তাবিত এই নতুন পরিকল্পনায়

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান বাড়ানোর পাশাপাশি ফিফার ২১১টি

সদস্য দেশের ফুটবল উন্নয়ন তহবিলের (ফিফা ফরোয়ার্ড প্রোগ্রাম) পরিমাণ বাড়ানোর

বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ফিফা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, বর্তমান সময়ে তারা ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক

অবস্থানে রয়েছে এবং এই সক্ষমতাকে বিশ্ব ফুটবলের কল্যাণে কাজে লাগাতে চায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপ কেবল মাঠের লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং ফুটবলার ও

ফেডারেশনগুলোর জন্য আর্থিক অবদানের ক্ষেত্রেও একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

বর্ধিত এই তহবিলের বিস্তারিত বিবরণ এবং সুনির্দিষ্ট অংক আলোচনার ভিত্তিতে খুব

শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos