চীনের শেনঝেন প্রদেশের পিংশান জেলায় অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি (BYD)-র একটি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এটি ঘটেছে চলতি মাসের ১৪ এপ্রিল, যেখানে কারখানার এক বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দ্রুত ও সঠিক উদ্যোগে স্থানীয় দমকল বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, বড় ধরণের
চীনের শেনঝেন প্রদেশের পিংশান জেলায় অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি (BYD)-র একটি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এটি ঘটেছে চলতি মাসের ১৪ এপ্রিল, যেখানে কারখানার এক বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দ্রুত ও সঠিক উদ্যোগে স্থানীয় দমকল বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, বড় ধরণের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় কারখানার ভেতরে অবস্থিত এক বহুতল পার্কিং গ্যারেজে। আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে মুহুর্তের মধ্যে তা পুরো ভবনজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং চারপাশে ঘন কালো ধোঁয়া আচ্ছন্ন করে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন তলায় থেকে আগুনের শিখা বের হচ্ছে এবং আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ভাসছে। ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় দমকল এবং পুলিশ দল দ্রুত উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।
বিওয়াইডি পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি মূলত পরীক্ষণ ও পুরাতন যানবাহন সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হত। সেখানে নতুন গাড়ি বা চলমান অ্যাসেম্বলি লাইন ছিল না। ফলে, অগ্নিকাণ্ডে কিছু পুরানো যানবাহনের ক্ষতি হলেও মূল উৎপাদন কার্যক্রম বা বাণিজ্যিক সম্পদ নিরাপদ রয়েছে।
কোম্পানি আরও জানায় যে, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণে তাদের উৎপাদন ব্যবস্থা কোনোরকম ব্যাহত হয়নি। মূল অ্যাসেম্বলি লাইন ও ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত গাড়িগুলো আগুনের বাইরে থাকায় বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা কম। তবে, সুউচ্চ পার্কিং কাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
বর্তমানে শেনঝেন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিভাগ এই অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ অনুসন্ধান শুরু করেছে। বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি থেকে শর্ট সার্কেট বা অন্য কোন কারণের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতি নিরূপণে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনাতে শিল্প নিরাপত্তার প্রশ্নটি আবারও সামনে এসেছে। পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কারখানা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।











