সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের দুটি প্রধান শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে উভয় বাজারের সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহের প্রথম দিনে বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর দাপটে মূল্যসূচক ও লেনদেন বাড়লেও,
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের দুটি প্রধান শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে উভয় বাজারের সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সপ্তাহের প্রথম দিনে বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর দাপটে মূল্যসূচক ও লেনদেন বাড়লেও, দ্বিতীয় দিনে তা কিছুটা পতন ঘটে। তৃতীয় দিন পহেলা বৈশাখের ছুটির কারণে কোনও লেনদেন হয়নি। এ পরিস্থিতিতে বুধবার বাজার খুলতেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি পায় এবং বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা সৃষ্টি হয়। দিন শেষে এ ধারা অব্যাহত থাকায় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি পায় এবং সব সূচকই উর্ধমুখী হয়।
বুধবার ডিএসইতে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ৯০টির দর কমেছে এবং ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশেষ করে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী ১২৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বেড়েছে, ৫২টির কমেছে এবং ৩০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাঝারি মানের লভ্যাংশ দেওয়া ৫৮ প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ১৮টির দর কমেছে। ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৫৮টির দর বেড়েছে, ২০টির দর কমেছে ও ২৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে, তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৮টির দাম বেড়েছে, ২টির দাম কমেছে এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ফলে ডিএসইয়ের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫,২৫৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১,৯৮৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১,৬৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার মোট লেনদেন হয়েছে ৮৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, যা আগে ঘণ্টা ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা ছিল। দিনটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা হয়েছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের শেয়ারে, যার লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিটি ব্যাংকের শেয়ার, যার লেনদেন ২৫ কোটি ৪ লাখ টাকা, এবং একমি পেস্টিসাইডের লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা।
বাজারে সবচেয়ে বেশি লেনদেনে অংশ নিয়েছে লাভেলো আইসক্রিম, মীর আক্তার হোসেন লিমিটেড, গোল্ডেন সন, শাহজিবাজার পাওয়ার, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, বিবিএস কেবলস এবং পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ২৩ পয়েন্ট বৃদ্ধির সাথে সঙ্গে লেনদেনের সংশ্লিষ্টতা বেড়েছে। এই বাজারে ২০৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৪টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ৬৪টির দর কমেছে এবং ৩১টির দর অপরিবর্তিত। এদিনের মোট লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে।











