ঘুমন্ত ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে বাবার আত্মহত্যা

ঘুমন্ত ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে বাবার আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে এক ঘটনায় ঘুমন্ত ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার পর বাবা আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাঞ্চানগর এলাকার পেশকার বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তিনি নিজের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম নাসির আহমদ। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব এখলাসপুর

লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে এক ঘটনায় ঘুমন্ত ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার পর বাবা আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বাঞ্চানগর এলাকার পেশকার বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তিনি নিজের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম নাসির আহমদ। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পূর্ব এখলাসপুর গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে। ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবনে তিনি প্রায় সাত বছর ধরে ঐ বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নাসিরের পরিবারের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নাসির গত বছর আগস্টে পুলিশ চাকরি থেকে অবসরে যান। তার বড় ছেলে প্রতিবন্ধী। তার স্ত্রীর সঙ্গে বড় ছেলেকে নিয়ে বেড়াতে যান। এই সময় তার ছেলে কলেজ ছাত্র ইমরান ও তিনি বাসায় ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে নাসির অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার সুস্থতার জন্য ওষুধ খাইয়ে দেওয়া হয়।

সকালে ঘুমন্ত অবস্থায়, অসুস্থবোধ করছিলেন এমন অবস্থায়, নাসির দা দিয়ে ইমরানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন। তখন ইমরান বাসা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে প্রতিবেশী স্বপন তাকে লুঙ্গি পরিয়েআসতে যান। কিন্তু সেই সময় নাসির হঠাৎ আবার দা দিয়ে স্বপন ও তার দিকে থাকা অন্য একজনকেও পেড়ে কুপিয়ে জখম করেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে এক প্রবীণ ব্যক্তি নাছিরের হাত থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে, তাকেও তিনি কুপিয়ে আহত করেন। এরপর, নিজের বাড়ির তিন তলা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন নাসি‌র, আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল নাসির মারা যান।

আহত স্বপন বাঞ্চানগর এলাকার পেশকার বাড়ির মৃত গোলাম রহমানের ছেলে এবং ইমরান একই বাড়ির ভাড়াটে। অন্য আহত নাসিরের অতিরিক্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক অরূপ পাল জানান, আহত চারজনকেই হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে, নাসিরের মরদেহ অবশেষে ভর্তি ওয়াক্তে মারা যান। আহত অন্য তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Staff Reporter
ADMINISTRATOR
PROFILE

Posts Carousel

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos